ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির চরমোনাই পির সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেছেন, আগামী জাতীয় নির্বাচন অবশ্যই পিআর (প্রোপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন) পদ্ধতিতে হতে হবে। এ ছাড়া কোনো নির্বাচন জনগণ মেনে নেবে না। যারা রাষ্ট্রীয় সংস্কারে গড়িমসি করছেন, জনগণ তাদের ছেড়ে দেবে না।
সোমবার বিকেলে রাজধানীর শ্যামপুরের জুরাইন রেলগেট সংলগ্ন বিক্রমপুর প্লাজা শপিং মলের সামনে এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি অভিযোগ করেন, অতীতের স্বৈরশাসনকালে হাজারো মানুষ গুম-খুনের শিকার হয়েছেন এবং হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করা হয়েছে। এসব অপরাধে জড়িতদের বিচার দৃশ্যমান করতে হবে। একইসঙ্গে মৌলিক সংস্কার, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনে সংস্কার করে পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন দিতে হবে। অন্যথায় জনগণ কাউকেই ক্ষমা করবে না।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের আগে জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি দিতে হবে এবং পিলখানা ও শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডকেও সনদে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। পিআর পদ্ধতি ছাড়া নির্বাচন হলে আবারও স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদ মাথাচাড়া দেবে।
অনুষ্ঠানে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পওয়ার বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার একটি দলের কাছে নতি স্বীকার করেছে, তাই কার্যকর সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না। দেশের বেশির ভাগ মানুষ পিআর পদ্ধতি চায়, তা না মানলে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।
সমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা আহমেদ, কেন্দ্রীয় সদস্য ডা. শহিদুল ইসলামসহ অন্য নেতারা। সভাপতিত্ব করেন সিনিয়র প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যক্ষ মাওলানা মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী।



