tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদআন্তর্জাতিকপশ্চিম তীরে মসজিদে অগ্নিসংযোগ, পবিত্র কুরআন পুড়িয়ে দিল ইসরাইলিরা

পশ্চিম তীরে মসজিদে অগ্নিসংযোগ, পবিত্র কুরআন পুড়িয়ে দিল ইসরাইলিরা

টানা দুই বছরের হামলায় গাজার ১ হাজার ২৪৫টি মসজিদের মধ্যে ১ হাজার ১০৯টি ধ্বংস করেছে ইসরাইল। একই সঙ্গে অধিকৃত জেরুজালেমে আল-আকসা মসজিদের চারপাশে গোপনে সুড়ঙ্গ খনন করার অভিযোগ উঠেছে। প্রতিদিনই সেনাবাহিনী–সমর্থিত দখলদার বাহিনীর উৎপাত বাড়ছে।

গত সপ্তাহেই আল-আকসা প্রাঙ্গণে প্রায় চার হাজার দখলদারের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির ঘটনা ঘটে। এর মধ্যেই বৃহস্পতিবার অধিকৃত পশ্চিম তীরের একটি মসজিদে আগুন দেয় ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীরা। পুড়িয়ে ফেলা হয় মসজিদের ভেতরে রাখা পবিত্র কুরআনের বেশ কয়েকটি কপি। ধর্মীয় স্থাপনায় এ নিন্দনীয় হামলার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে জাতিসংঘসহ মুসলিম বিশ্ব। খবর—মিডল ইস্ট আই, আল-জাজিরা, জর্ডান নিউজ।

আল-জাজিরার তথ্য অনুযায়ী, ভোরের দিকে সালফিতের কাছে দেইর ইস্তিয়া গ্রামের হাজ্জা হামিদা মসজিদে এ হামলা চালানো হয়। স্থানীয়রা জানান, আগুন লাগানোর আগে মসজিদের দেয়ালে বর্ণবাদী ও ফিলিস্তিনবিরোধী স্লোগান স্প্রে করে লিখে যায় হামলাকারীরা। এতে মসজিদের একটি প্রাচীর, ভেতরের অংশ, কিছু কার্পেট এবং পবিত্র কুরআনের কয়েকটি কপি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দেয়ালে ‘আমরা ভয় পাই না’, ‘আমরা আবার প্রতিশোধ নেব’—এ ধরনের উসকানিমূলক বার্তাও রেখে যায় তারা।

ফিলিস্তিনের ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় একে ‘জঘন্য অপরাধ’ আখ্যা দিয়ে বলেছে, ঘটনা প্রমাণ করে যে অধিকৃত ভূখণ্ডে মুসলিম ও খ্রিষ্টানদের পবিত্র স্থানও ইসরাইলি বর্বরতা থেকে সুরক্ষিত নয়।

জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক বলেন, জাতিসংঘ এ ঘটনায় ‘অত্যন্ত উদ্বিগ্ন’। তিনি আরও বলেন, উপাসনালয়ে হামলা পুরোপুরি অগ্রহণযোগ্য, এবং দখলদার শক্তি হিসেবে ইসরাইলের দায়িত্ব বেসামরিক জনগণকে সুরক্ষা দেওয়া।

জর্ডান ও সুইজারল্যান্ডের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছে, পশ্চিম তীরে বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা ও অবৈধ বসতি সম্প্রসারণ অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।