নিষ্কাশনের ফলে ধীরে ধীরে কমছে কাপ্তাই হ্রদের পানি। একই সঙ্গে নিয়ন্ত্রণে আসছে হ্রদের পানির উচ্চতা। এ কারণে কাপ্তাই বাঁধের স্প্রিলওয়ে দিয়ে পানি ছাড়ার পরিমাণও কমিয়ে আনা হয়েছে।
হ্রদের পানি কমে যাওয়ায় রাঙামাটির পর্যটন মোটেল এলাকায় অবস্থিত দৃষ্টিনন্দন ঝুলন্ত সেতুটিও ধীরে ধীরে পানির নিচ থেকে ভেসে উঠছে। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সেতুটির পাটাতন থেকে পানি নেমে গেছে। তবে সেতুটিতে পর্যটকদের প্রবেশের ওপর এখনো নিষেধাজ্ঞা বহাল রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পানি পুরোপুরি স্বাভাবিক অবস্থায় না আসা পর্যন্ত পর্যটকদের জন্য সেতুটি খুলে দেওয়া হচ্ছে না।
ভারি বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে বিপৎসীমা পার করেছিল পানি
সম্প্রতি টানা ভারি বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্চতা দ্রুত বেড়ে বিপৎসীমা অতিক্রম করে। এতে হ্রদ তীরবর্তী রাঙামাটির বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়। পানির উচ্চতা বেড়ে যাওয়ায় রাঙামাটি পর্যটন মোটেল এলাকায় থাকা ঝুলন্ত সেতুটিও পানিতে তলিয়ে যায়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাপ্তাই বাঁধের স্প্রিলওয়ের ১৬টি জলকপাট খুলে দেওয়া হয়। তখন প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৫৬ হাজার কিউসেক পানি ভাটির দিকে কর্ণফুলী নদীতে নিষ্কাশন করা হচ্ছিল।
পরবর্তীতে হ্রদের পানির উচ্চতা কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এলে পানি নিষ্কাশনের পরিমাণ কমিয়ে আনা হয়। বর্তমানে স্প্রিলওয়ের গেট দিয়ে প্রতি সেকেন্ডে ১৮ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলী নদীতে নিষ্কাশন করা হচ্ছে।
আবার দৃশ্যমান হচ্ছে ঝুলন্ত সেতু
পানি কমতে থাকায় শুক্রবার ঝুলন্ত সেতুর পাটাতন থেকে পানি নেমে গেছে। ফলে সেতুটির বেশির ভাগ অংশ আবার দৃশ্যমান হয়েছে। তবে দীর্ঘ সময় পানির নিচে থাকার কারণে সেতুটির স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনতে পরিচ্ছন্নতা ও মেরামতের কাজ চলছে।
রাঙামাটি পর্যটন মোটেল ও হলিডে কমপ্লেক্সের ব্যবস্থাপক আলোক বিকাশ চাকমা বলেন, সেতু থেকে পানি নেমে গেলেও পরিস্থিতি এখনো পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। উজান থেকে পাহাড়ি ঢলও অব্যাহত রয়েছে।
তিনি জানান, হ্রদের পানি আরও কিছুটা কমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে এবং কর্তৃপক্ষের অনুমতি পাওয়া গেলে পর্যটকদের জন্য সেতুটি খুলে দেওয়া হতে পারে। এরই মধ্যে সেতুর মেরামত ও পরিচ্ছন্নতার কাজ চলছে।
স্প্রিলওয়ের ১৬ গেট দিয়ে পানি নিষ্কাশন
কাপ্তাই বাঁধ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হ্রদের পানির স্তর কমতে থাকায় স্প্রিলওয়ের ১৬টি জলকপাট এক ফুট উচ্চতায় খোলা রাখা হয়েছে। এসব



