tanaka

এশিয়ান গেমস • কাবাডিতে কোরিয়া বধের পর বাংলাদেশের চোখ পদকে

এশিয়ান গেমসে পুরুষ কাবাডিতে দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়েছে বাংলাদেশ। শক্তিশালী দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়ে লাল-সবুজ দল এখন তাকিয়ে আছে দিনের দ্বিতীয় ম্যাচের দিকে। বিকেলে চাইনিজ তাইপেকে...
প্রচ্ছদজাতীয়নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নে সরকারি কর্মচারীদের আলটিমেটাম

নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নে সরকারি কর্মচারীদের আলটিমেটাম

নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নসহ সাত দফা দাবির বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকারকে আলটিমেটাম দিয়েছেন সরকারি কর্মচারীরা। বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের ঘোষণা অনুযায়ী, দাবি পূরণ না হলে আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার উদ্দেশ্যে ‘ভুখা মিছিল’ কর্মসূচি পালন করা হবে।

শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক প্রতিবাদ সমাবেশে ঐক্য পরিষদের নেতারা এ কর্মসূচির বিস্তারিত ঘোষণা দেন। একই সঙ্গে জানানো হয়, ভুখা মিছিলের আগে আগামী ১ থেকে ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রতিদিন নিজ নিজ দপ্তরের সামনে দুই ঘণ্টা করে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে।

সমাবেশে পরিষদের মুখ্য সমন্বয়ক মো. ওয়ারেছ আলী বলেন, সাত বছর ধরে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চললেও সরকারি কর্মচারীদের ন্যায্য দাবি এখনো বাস্তবায়িত হয়নি। তিনি জানান, গত ৫ ডিসেম্বর লক্ষাধিক কর্মচারীর অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত মহাসমাবেশে আশা করা হয়েছিল ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে নবম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশিত হবে, কিন্তু তা বাস্তবায়ন হয়নি। ফলে আগামী ১ থেকে ৩ ফেব্রুয়ারি সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত নিজ নিজ দপ্তরের সামনে অবস্থান ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হবে। এরপরও দাবি মানা না হলে ৬ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে যমুনা অভিমুখে ভুখা মিছিল অনুষ্ঠিত হবে।

ঐক্য পরিষদের সাত দফা দাবির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—সর্বনিম্ন বেতন ৩৫ হাজার এবং সর্বোচ্চ বেতন ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা নির্ধারণ করে নবম পে-স্কেলের দ্রুত গেজেট প্রকাশ, ২০১৫ সালের পে-স্কেল থেকে বাদ পড়া তিনটি টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পুনর্বহাল, বেতন জ্যেষ্ঠতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে শতভাগ গ্র্যাচুইটি ও পেনশন সুবিধা চালু, ব্লক পোস্টসহ সব পদে পাঁচ বছর পরপর পদোন্নতি বা উচ্চতর গ্রেড নিশ্চিত করা, বর্তমান বাজারদরের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ভাতা পুনর্নির্ধারণ এবং সামরিক ও আধাসামরিক বাহিনীর মতো রেশনিং ব্যবস্থা চালু করা। পাশাপাশি সরকারি, আধা সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে একক নিয়োগবিধি প্রণয়নের মাধ্যমে বেতন ও পদবৈষম্য দূর করার দাবিও জানানো হয়।

এদিকে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে কর্মসূচি সম্পর্কে অবগত রয়েছে বলে জানা গেছে।