tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদআন্তর্জাতিকদ্বিতীয় দফা আলোচনা ঘিরে তৈরি হয়েছে নাটকীয়তা

দ্বিতীয় দফা আলোচনা ঘিরে তৈরি হয়েছে নাটকীয়তা

যুক্তরাষ্ট্র–ইরানের সম্ভাব্য দ্বিতীয় দফা সংলাপকে ঘিরে নতুন করে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা ও নাটকীয় পরিস্থিতি। প্রথমে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান, এবারের আলোচনায় ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স থাকবেন না। তবে পরবর্তীতে তিনি সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে জানান, জেডি ভ্যান্সের নেতৃত্বেই ইসলামাবাদে দ্বিতীয় দফার আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।

অন্যদিকে ইরানের একটি তেলবাহী ট্যাঙ্কার জব্দ এবং নৌ অবরোধ ইস্যুতে আলোচনা নিয়ে তেহরানের অবস্থান এখনো স্পষ্ট নয়। দেশটির এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার বরাতে রয়টার্স জানায়, দ্বিতীয় দফা সংলাপের বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করছে ইরান। নৌ অবরোধ প্রত্যাহারের শর্তে তেহরানকে আলোচনায় ফেরাতে পাকিস্তান সক্রিয় ভূমিকা রাখছে। তবে ওই কর্মকর্তা জানান, ইসলামাবাদে অংশগ্রহণ নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি তেহরান, যদিও বিষয়টি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

এদিকে চলমান দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হলেও তা বাড়ানো হবে কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো সিদ্ধান্ত নেই। পাকিস্তানের স্থানীয় সূত্রের দাবি অনুযায়ী, মঙ্গলবার (স্থানীয় সময়) এই যুদ্ধবিরতি শেষ হচ্ছে। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট এ বিষয়ে কোনো নিশ্চয়তা দেননি এবং বলেছেন, মেয়াদ বাড়তে পারে আবার নাও পারে।

সংলাপ ঘিরে অনিশ্চয়তা ও কূটনৈতিক তৎপরতা

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নিউইয়র্ক পোস্টকে জানান, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ইসলামাবাদে পৌঁছে দ্বিতীয় দফা আলোচনায় মার্কিন প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন। আলোচনায় বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং প্রেসিডেন্টের জামাতা জ্যারেড কুশনারও অংশ নেবেন বলে জানা গেছে।

প্রথমদিকে আলোচনায় অংশ না নেওয়ার অবস্থান নিয়েছিল তেহরান। তবে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় পরিস্থিতি কিছুটা বদলায় এবং ইরান এখন বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করছে বলে জানা গেছে। ইসলামাবাদে আলোচনার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং অতিরিক্ত প্রায় ২০ হাজার নিরাপত্তা সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ জানান, আলোচনায় কিছু অগ্রগতি হয়েছে, তবে পারমাণবিক কর্মসূচি ও হরমুজ প্রণালি ইস্যুতে এখনো মতপার্থক্য রয়ে গেছে।

কূটনৈতিক সমাধানের ওপর জোর ইরানের প্রেসিডেন্টের

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, সংঘাত নিরসনে তার দেশ সব ধরনের কূটনৈতিক ও জাতীয় উদ্যোগ অব্যাহত রাখবে। তিনি বলেন, যুদ্ধ কারও স্বার্থ রক্ষা করে না। একই সঙ্গে তিনি পারস্পরিক আস্থা ও সতর্ক আলোচনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

ট্রাম্পের দাবি ও কঠোর অবস্থান

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও দাবি করেছেন, ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র “সম্পূর্ণ বিজয়” অর্জন করেছে। তিনি বলেন, এটি শতভাগ বিজয়। একইসঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দেন, ইরান স্থায়ী শান্তিচুক্তিতে না এলে ভবিষ্যতে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।