tanaka

এশিয়ান গেমস • কাবাডিতে কোরিয়া বধের পর বাংলাদেশের চোখ পদকে

এশিয়ান গেমসে পুরুষ কাবাডিতে দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়েছে বাংলাদেশ। শক্তিশালী দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়ে লাল-সবুজ দল এখন তাকিয়ে আছে দিনের দ্বিতীয় ম্যাচের দিকে। বিকেলে চাইনিজ তাইপেকে...
প্রচ্ছদআন্তর্জাতিকদেশজুড়ে সাংগঠনিক বিস্তারে জোর দিচ্ছে ককরোচ জনতা পার্টি

দেশজুড়ে সাংগঠনিক বিস্তারে জোর দিচ্ছে ককরোচ জনতা পার্টি

সাম্প্রতিক ছাত্র আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আলোচনায় আসা ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) এবার দেশজুড়ে নিজেদের সাংগঠনিক ভিত্তি শক্তিশালী করার উদ্যোগ নিয়েছে। সংগঠনটির মুখপাত্র সৌরভ দাস জানিয়েছেন, আপাতত রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধনের কোনো পরিকল্পনা তাদের নেই। বরং দেশের প্রতিটি জেলায় সংগঠন বিস্তার করে যুবসমাজের বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরা এবং সেসব বিষয়ে সরকারের জবাবদিহি নিশ্চিত করাই তাদের বর্তমান লক্ষ্য।

নয়াদিল্লিতে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সৌরভ দাস বলেন, বেকারত্ব, মূল্যস্ফীতি, খাদ্য নিরাপত্তা ও শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সংকট নিয়ে গ্রামাঞ্চল পর্যন্ত মানুষের কাছে পৌঁছাতে চায় সিজেপি। এ উদ্দেশ্যে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে জনসভা, গণশুনানি ও মতবিনিময় কর্মসূচি আয়োজনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যঙ্গাত্মক প্রচারণা হিসেবে যাত্রা শুরু করা এই উদ্যোগ পরবর্তীতে ছাত্র আন্দোলনের রূপ নেয়। সাম্প্রতিক বিক্ষোভে প্রশ্নফাঁস ও শিক্ষা ব্যবস্থার অনিয়মের বিরুদ্ধে সোচ্চার ভূমিকা পালন করে সিজেপি। সংগঠনটির দাবি, এ আন্দোলনের চাপের মুখে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলেছে।

এদিকে শুক্রবার প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার পরিবর্তে সংযম ও সহনশীলতা প্রদর্শনের আহ্বান জানান। তাঁর ভাষায়, আদালত বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা কোনো সমস্যার একমাত্র সমাধান হতে পারে না।

অন্যদিকে, বিক্ষোভ চলাকালে দিল্লি পুলিশের অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগে একটি ডিজিটাল প্রমাণ সংগ্রহ প্ল্যাটফর্ম চালু করেছে সিজেপি। সংগঠনটির দাবি, প্ল্যাটফর্মটিতে ইতোমধ্যে শতাধিক ছবি, ভিডিও এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্য জমা পড়েছে।

এদিকে বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী সংসদে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশি পদক্ষেপের বিষয়টি তুলে ধরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের জবাবদিহি দাবি করেছেন। সিজেপির মতে, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় কোনো মন্ত্রীই জবাবদিহির ঊর্ধ্বে নন। জনগণের স্বার্থ রক্ষা এবং সরকারের প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন নিশ্চিত করাই তাদের ভবিষ্যৎ কর্মসূচির প্রধান লক্ষ্য।