tanaka

জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক পদে তানজিম ইবনে ওয়াহাবের নিয়োগ নবায়ন

বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক পদে তানজিম ইবনে ওয়াহাবের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ আরও এক বছরের জন্য নবায়ন করেছে সরকার। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখা থেকে...
প্রচ্ছদরাজনীতিতারেক রহমানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও ইইউ দূতদের সাক্ষাৎ

তারেক রহমানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও ইইউ দূতদের সাক্ষাৎ

ঢাকায় বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে পৃথকভাবে সাক্ষাৎ করেছেন নবনিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন, কানাডা ও ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশের রাষ্ট্রদূতরা। রাষ্ট্রদূতরা তারেক রহমানকে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশে একটি সুষ্ঠু ও ভালো নির্বাচন দেখতে চায়। একই সঙ্গে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রাষ্ট্রদূত এই বার্তাটি তারেক রহমানকে মৌখিকভাবে পৌঁছে দিয়েছেন।

বৈঠকের পর বিএনপি’র যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবির বলেন, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও ইইউ’র রাষ্ট্রদূতরা বাংলাদেশের নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে সন্তুষ্ট এবং মনে করছেন, দেশ ভালো একটা প্রক্রিয়ার দিকে এগোচ্ছে।

বিকাল ৪টায় গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে দূতাবাসের কর্মকর্তারা, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবির, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন এবং প্রেস সচিব সালেহ শিবলী। নতুন দায়িত্ব নেওয়ার পর এটি রাষ্ট্রদূতের প্রথম সাক্ষাৎ ছিল।

সাক্ষাতের পর ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন টুইট করে লিখেছেন, আসন্ন নির্বাচনের বিষয়ে তারেক রহমানের দৃষ্টিভঙ্গি জানার জন্য সাক্ষাৎ করেছি। যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী।

এরপর সন্ধ্যায় ইইউ’র রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলারের নেতৃত্বে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোর (জার্মানি, ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস, সুইডেন, ডেনমার্ক, স্পেন ও ইতালি) রাষ্ট্রদূতরা তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এর আগে সকালেই কানাডার রাষ্ট্রদূত অজিত সিং তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

বৈঠক শেষে হুমায়ুন কবির বলেন, গত ২৫ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পর তারেক রহমান বাংলাদেশে সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক নেতা হিসেবে আন্তর্জাতিক মহলে বিবেচিত হচ্ছেন। সাক্ষাতে দ্বিপক্ষীয় বিষয়, ভবিষ্যৎ সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা এবং বিএনপি ঘোষিত ৩১ দফা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ৫ আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের পর কোনো দেশের নির্দেশনায় বাংলাদেশের মানুষ চলবে না। রাষ্ট্রদূতরা নির্বাচনের পরিবেশ এবং বাংলাদেশে ডেমোক্র্যাটিক ট্রানজেকশন নিয়ে আগ্রহী। এছাড়া রোহিঙ্গা ইস্যু ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়নের বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।