tanaka

এশিয়ান গেমস • কাবাডিতে কোরিয়া বধের পর বাংলাদেশের চোখ পদকে

এশিয়ান গেমসে পুরুষ কাবাডিতে দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়েছে বাংলাদেশ। শক্তিশালী দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়ে লাল-সবুজ দল এখন তাকিয়ে আছে দিনের দ্বিতীয় ম্যাচের দিকে। বিকেলে চাইনিজ তাইপেকে...
প্রচ্ছদজাতীয়জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় ২ বিলিয়ন ডলার সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় ২ বিলিয়ন ডলার সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশের জরুরি জ্বালানি চাহিদা পূরণ এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে উন্নয়ন সহযোগীদের কাছে ২০০ কোটি মার্কিন ডলারের ঋণ সহায়তা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আজ বুধবার এশিয়া জিরো এমিশন কমিউনিটি প্লাস (এজেডইসি) সম্মেলনে ভার্চুয়ালি বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ সহায়তার আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য জরুরি সহায়তা নিশ্চিত করাই আমাদের সম্মিলিত অগ্রাধিকারের শীর্ষে থাকা উচিত। এ লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে দ্রুত ও ইতিবাচক সাড়া দেওয়ার অনুরোধ জানান তিনি।

চলমান বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রসঙ্গ তুলে তারেক রহমান বলেন, এই পরিস্থিতি পারস্পরিক নির্ভরতা ও দুর্বলতাকে স্পষ্টভাবে সামনে এনেছে। কোনো দেশ এককভাবে এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারবে না। তাই আঞ্চলিক জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার এবং সরবরাহ শৃঙ্খলে বিঘ্ন মোকাবিলায় এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সমন্বিত ও দূরদর্শী উদ্যোগ প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, জ্বালানি সংকট বাংলাদেশের অর্থনীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার স্বল্পমেয়াদে একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সরকারি অফিস ও বাজারের সময়সূচি সমন্বয়ের মাধ্যমে চাহিদা ব্যবস্থাপনা, জরুরি ভিত্তিতে জ্বালানি আমদানি বৃদ্ধি এবং বিকল্প উৎস থেকে সরবরাহ নিশ্চিত করা। পাশাপাশি ভোক্তা নিয়ন্ত্রণে জ্বালানি রেশনিং ও খুচরা বিক্রয়ে সীমা নির্ধারণ এবং মজুতদারি ও আতঙ্কজনিত কেনাকাটা রোধে ‘ফুয়েল অ্যাপ’-এর মতো উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, এই সংকটের মাত্রা ও সম্ভাব্য প্রভাব ১৯৭০-এর দশকের তেল সংকটকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে, যা ১৯৮০-এর দশকের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে বড় ধরনের স্থবিরতা সৃষ্টি করেছিল।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, দারিদ্র্য হ্রাস এবং জীবনমান উন্নয়নে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তবে বর্তমান সংকট এসব অর্জনকে পিছিয়ে দেওয়ার বাস্তব ঝুঁকি তৈরি করেছে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ একা এই সংকটে পড়েনি; তাই একক প্রচেষ্টায় এর সমাধান সম্ভব নয়। বিশেষ করে স্বল্পোন্নত ও ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোকে সম্ভাব্য অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষতি থেকে সুরক্ষায় একটি সমন্বিত বৈশ্বিক উদ্যোগ এখন সময়ের দাবি।

ভার্চুয়ালি আয়োজিত এ সম্মেলনে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমসহ জাপান, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম ও পূর্ব তিমুরের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানরা অংশ নেন। সমাপনী বক্তব্য দেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি।

প্রধানমন্ত্রী এদিন দুপুরের পর জাতীয় সংসদ ভবন থেকে সম্মেলনে ভার্চুয়ালি বক্তব্য দেন। এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান ও পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা এম হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন।