জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের অভিযোগে সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তদন্তের আবেদন করা হয়েছে।
রোববার (২৬ জুলাই) বাংলাদেশ আজাদ পার্টির পক্ষ থেকে ট্রাইব্যুনালে এ অভিযোগ জমা দেওয়া হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল হাসিনুর রহমান জানান, মো. সাহাবুদ্দিন ও আবদুল হামিদের বিরুদ্ধে তদন্তের আবেদন করা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় রাষ্ট্রের তিন বাহিনীর সর্বাধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করলেও মো. সাহাবুদ্দিন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেননি। এছাড়া গুম, হত্যা এবং কথিত ‘আয়নাঘর’-সংক্রান্ত অভিযোগের বিষয়েও তিনি প্রকাশ্যে কোনো অবস্থান নেননি। অভিযোগকারীদের দাবি, এসব ঘটনায় তাঁর নীরবতা কার্যত সমর্থনের শামিল।
ট্রাইব্যুনালে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশ আজাদ পার্টি জানায়, পিলখানা হত্যাকাণ্ড, শাপলা চত্বরের অভিযান এবং বিভিন্ন সময়ে সংঘটিত গুম ও হত্যার ঘটনাগুলোর সময় রাষ্ট্রপ্রধানের দায়িত্বে ছিলেন আবদুল হামিদ ও মো. সাহাবুদ্দিন। তাই আন্তর্জাতিক আইনের ‘সুপিরিয়র রেসপনসিবিলিটি’ নীতির আলোকে তাঁদের ভূমিকা তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।
এদিকে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সহযোগিতা করার অভিযোগে মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে পৃথক আরেকটি অভিযোগ দায়ের করেছে রাষ্ট্র সংলাপ ফোরাম। একই দিন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ওই অভিযোগও জমা দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, এসব অভিযোগ তদন্তের আবেদন হিসেবে দাখিল করা হয়েছে। অভিযোগগুলোর বিষয়ে ট্রাইব্যুনালের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা বিচারিকভাবে অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি।



