tanaka

হঠাৎ অসুস্থ সোনালি দিনের নায়ক মাহমুদ কলি, চাইলেন দোয়া

ঢাকাই চলচ্চিত্রের সোনালি দিনের জনপ্রিয় নায়ক মাহমুদ কলি অসুস্থ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের অসুস্থতার কথা জানিয়ে ভক্ত, শুভাকাঙ্ক্ষী ও পরিচিতজনদের কাছে দোয়া ও আশীর্বাদ চেয়েছেন...
প্রচ্ছদজাতীয়গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে জনজীবন বিপর্যস্ত, অস্বস্তিতে সরকার

গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে জনজীবন বিপর্যস্ত, অস্বস্তিতে সরকার

গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকটে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন দেশের সাধারণ মানুষ। দিনের বড় একটি সময় অনেক এলাকায় বাসাবাড়িতে গ্যাস থাকছে না। রাতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় দুর্ভোগ আরও বাড়ছে। শিল্পকারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে, কোথাও কোথাও বন্ধ থাকছে মেশিন। এতে কমছে মানুষের আয়, বাড়ছে ক্ষোভ।

গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট নিয়ে সংসদের ভেতরে-বাইরে সরকারের সমালোচনা করছে বিরোধী দলসহ বিভিন্ন মহল। পরিস্থিতি নিয়ে সরকারের উচ্চপর্যায় থেকেও অস্বস্তির কথা প্রকাশ্যে স্বীকার করা হচ্ছে। তবে সরকারের দাবি, এই সংকট বর্তমান সরকারের তৈরি নয়; তারা এটি উত্তরাধিকারসূত্রে পেয়েছে। একই সঙ্গে বলা হচ্ছে, সংকটের তাৎক্ষণিক সমাধানের সহজ কোনো পথ নেই।

অর্থনীতিবিদ ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিত্যপণ্যের উচ্চমূল্য কিংবা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে অসন্তোষ আগেও ছিল। কিন্তু গ্যাস ও বিদ্যুতের বর্তমান সংকট জনজীবন ও অর্থনীতিতে ব্যাপক প্রভাব ফেলছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে স্বল্পমেয়াদি উদ্যোগের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা জরুরি।

অর্থনীতিতে বড় প্রভাব

অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আবু আহমেদ বলেন, গ্যাস-বিদ্যুতের সংকট দেশের জন্য বড় ধরনের দুর্যোগ। এরই মধ্যে অর্থনীতিতে এর ব্যাপক প্রভাব পড়েছে এবং সাধারণ মানুষ কষ্টে রয়েছে।

তার মতে, এই সংকট রাতারাতি সমাধান করা সম্ভব নয়। এর জন্য সময় প্রয়োজন। শুধু বর্তমান সরকারকে দায়ী করেও সমস্যার সমাধান হবে না। গ্যাসের সরবরাহ কমে যাওয়া, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি, কয়েকটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের মেয়াদ শেষ হওয়া এবং বিদ্যুৎ আমদানিতে ঘাটতিসহ নানা কারণে পরিস্থিতি জটিল হয়েছে।

তিনি বলেন, সংকট মোকাবিলায় সরকার কয়েকটি কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎকেন্দ্র চালুর চেষ্টা করছে এবং তেল আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে। তবে দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের জন্য সৌরবিদ্যুতের ব্যাপক প্রসার প্রয়োজন। এজন্য অবশ্য এক বছরের বেশি সময় লাগতে পারে।

বিদ্যুতে ঘাটতি বাড়ছে

গ্যাস-বিদ্যুতের সংকটের প্রভাব পড়ছে দেশের প্রায় সব শ্রেণি-পেশার মানুষের ওপর। উচ্চবিত্তের বাসা থেকে শুরু করে নিম্নআয়ের মানুষের ঘর—কেউই এর বাইরে নেই। গ্রাম ও শহর উভয় এলাকাতেই বিদ্যুৎ বিভ্রাট বেড়েছে।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে দেশে দৈনিক বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় ১৭ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট। বিপরীতে উৎপাদন হচ্ছে প্রায় ১৫ হাজার ৩০০ মেগাওয়াট। ফলে কাগজে-কলমে ঘাটতি দাঁড়াচ্ছে ২ হাজার থেকে আড়াই হাজার মেগাওয়াট।

তবে বাস্তব পরিস্থিতি আরও কঠিন। কোথাও কোথাও গ্রামাঞ্চলে দিনে ৮ থেকে ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকছে না। দেশের ১৪৩টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের মধ্যে ৬২টি জ্বালানি সংকটে রয়েছে। এর মধ্যে ২৬টি গ্যাসভিত্তিক, ৩৩টি তেলভিত্তিক এবং দুটি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র।

গ্যাসের ঘাটতিও তীব্র

দেশে প্রতিদিন গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩ হাজার ৮০০ থেকে ৪ হাজার মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফডি)। বিপরীতে সরবরাহ মিলছে ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৪০০ এমএমসিএফডি। অর্থাৎ দৈনিক ঘাটতি প্রায় ১ হাজার ৪০০ থেকে ১ হাজার ৬০০ এমএমসিএফডি।

দেশীয় গ্যাসক্ষেত্র থেকে দৈনিক সরবরাহ কমে প্রায় ১ হাজার ৬০০ এমএমসিএফডিতে নেমেছে। এর সঙ্গে আমদানি করা এলএনজি থেকে যোগ হচ্ছে প্রায় ১ হাজার এমএমসিএফডি। বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতেও স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় গ্যাস সরবরাহ কমেছে।

ঘাটতি পূরণে সরকারকে এখন তুলনামূলক ব্যয়বহুল তেল ও ডিজেলচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র বেশি চালাতে হচ্ছে। লোকসানের কারণে যেসব কেন্দ্র সাধারণ সময়ে অনেকটা সময় বন্ধ রাখা হয়, সেগুলোকেও চালু রাখতে হচ্ছে।

স্বল্পমেয়াদে শিল্পে গ্যাস বাড়ানোর পরামর্শ

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সাবেক অধ্যাপক ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ড. ইজাজ হোসেন বলেন, পরিস্থিতি কঠিন আকার ধারণ করেছে। স্বল্পমেয়াদে আবাসিক খাতের তুলনায় শিল্পে বেশি গ্যাস সরবরাহ করতে হবে। বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য কয়লাভিত্তিক কেন্দ্রগুলোও কার্যকরভাবে চালাতে হবে।

তিনি বলেন, পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু হওয়ার আগ পর্যন্ত বিদ্যমান সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার করতে হবে। দীর্ঘমেয়াদে এলএনজি আমদানি বাড়ানো যেতে পারে। তবে ডলার সংকটের কারণে অতিরিক্ত এলএনজি আমদানির সক্ষমতা সীমিত।

সংকটের পেছনে একাধিক কারণ

সংশ্লিষ্টদের মতে, বর্তমান সংকট কোনো একটি কারণে তৈরি হয়নি। দীর্ঘদিনের নীতিগত দুর্বলতা, দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধানে ঘাটতি, অতিরিক্ত বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ এবং আমদানিনির্ভর জ্বালানি ব্যবস্থা—সব মিলিয়ে পরিস্থিতি জটিল হয়েছে।

দেশীয় গ্যাসক্ষেত্রগুলোর উৎপাদন প্রতিবছর কমছে। ঘাটতি পূরণে বাড়ছে আমদানিনির্ভরতা। একটি এলএনজি টার্মিনালে দুর্ঘটনার পর পাইপলাইনে গ্যাস সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ায় সংকট আরও তীব্র হয়েছে।

এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ডলার সংকট। এলএনজি আমদানি ব্যয়বহুল হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বেড়ে গেলে আমদানির পরিমাণ কমে যায়। ফলে সরাসরি প্রভাব পড়ে গ্যাস সরবরাহে।

অন্যদিকে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহারও এখনও খুব কম। দেশে মোট জ্বালানি ব্যবহারে নবায়নযোগ্য জ্বালানির অংশ প্রায় ২ দশমিক ৩ শতাংশ, যেখানে বৈশ্বিক গড় প্রায় ৩৪ শতাংশ। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির মূল্য বাড়লে বাংলাদেশে তার প্রভাব দ্রুত পড়ে।

বাস্তব জীবনে ভোগান্তি

কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এসএম নাজের হোসাইন বলেন, বিদ্যমান সংকটের দ্রুত সমাধান কঠিন। সরকারের নেওয়া সব উদ্যোগও বাস্তবসম্মত নয়।

তিনি বলেন, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য রাত ৮টার মধ্যে দোকানপাট বন্ধের কথা বলা হলেও বাস্তবে তা কার্যকর হচ্ছে না। একই সঙ্গে পর্যাপ্ত নজরদারিরও অভাব রয়েছে। সংকট মোকাবিলায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির ওপর আরও গুরুত্ব দেওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী কিছু কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু করা এবং কার্যকর ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার পরামর্শ দেন তিনি।

গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের সরাসরি প্রভাব পড়েছে শিল্প ও কৃষিতেও। ময়মনসিংহের একটি চালকলের মালিক জসিম উদ্দিন জানান, একদিন টানা সাত ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় শ্রমিকদের বসিয়ে রাখতে হয়েছে। কুমিল্লার মাছচাষি রহমত উল্লাহ বলেন, পুকুরের পানি সেচে ফেলার কাজ সাধারণত এক রাতেই শেষ হওয়ার কথা থাকলেও বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে তিন রাতেও কাজ শেষ করা সম্ভব হয়নি।

রপ্তানিমুখী শিল্পকারখানাগুলোতেও উৎপাদন কমছে। কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান শ্রমিকদের ছুটিতে পাঠাতে বাধ্য হচ্ছে।

সংসদে সরকার-বিরোধী দলের বিতর্ক

গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট নিয়ে জাতীয় সংসদেও সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে তীব্র বিতর্ক হয়েছে। বিরোধী দল অভিযোগ করেছে, সংকটের কারণে শিল্পোৎপাদন ও জনজীবন স্থবির হয়ে পড়ছে। এ নিয়ে তারা রাজপথে কর্মসূচিও পালন করছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংসদে বলেন, এই সংকটের রাতারাতি সমাধান সম্ভব নয়। তার অভিযোগ, আগের সরকার জ্বালানি খাতকে অতিরিক্ত আমদানিনির্ভর করে রেখেছিল এবং দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধানে কার্যকর উদ্যোগ নেয়নি। একই সঙ্গে কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের পেছনে বিপুল অর্থ ব্যয় করে দেশকে ঋণগ্রস্ত করা হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।

বিরোধী দলের লংমার্চ কর্মসূচির সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, লংমার্চ করে যদি সমস্যার সমাধান করা যেত, তাহলে সরকারই সবার আগে লংমার্চ করত। তিনি সংকট মোকাবিলায় জনগণকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানান।

সরকারের অস্বস্তি স্বীকার

সংসদের বাইরেও বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গ্যাস-বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়ে সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা অস্বস্তির কথা জানিয়েছেন।

জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, বর্তমান সরকার উত্তরাধিকারসূত্রে এই সংকট পেয়েছে। অতীতে প্রয়োজন বিবেচনার চেয়ে যেখানে দ্রুত লাভের সুযোগ ছিল, সেখানে বেশি গুরুত্ব দিয়ে অবকাঠামো তৈরি করা হয়েছে। ফলে জ্বালানি ব্যবস্থা টেকসই হয়নি।

একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল বিকল হওয়ার পর সারা দেশে গ্যাস সংকট তৈরি হওয়ার বিষয়টিও তিনি উল্লেখ করেন।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত জনদুর্ভোগের জন্য দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, বিদ্যুতের চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে এখনও বড় ব্যবধান রয়েছে। শুধু আগের সরকারের দায় উল্লেখ করে বর্তমান সরকার দায়িত্ব এড়াতে পারে না। জনগণের সরকার হিসেবে সংকট সমাধানে সর্বাত্মক চেষ্টা চালানো হচ্ছে। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির উচ্চমূল্য এবং প্রয়োজনীয় অর্থের সংকটের কারণে অনেক উদ্যোগ দ্রুত বাস্তবায়ন করা সম্ভব হচ্ছে না।

অন্য দেশের অভিজ্ঞতা

বিশ্বের বিভিন্ন দেশ সাম্প্রতিক জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। ভিয়েতনাম জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে সৌর ও বায়ু বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়িয়েছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সময় রুশ গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর জার্মানি দ্রুত জ্বালানি দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি নতুন এলএনজি টার্মিনাল স্থাপন করে।

ভারতও স্থানীয় কয়লা ও সৌরশক্তির ব্যবহার বাড়িয়েছে। গত এক দশকে দেশটি সৌরবিদ্যুৎ খাতে বড় ধরনের বিনিয়োগ করেছে। পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি ও আঞ্চলিক জ্বালানি বাণিজ্যের মাধ্যমে সরবরাহ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নিয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, বাংলাদেশও সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদে গ্যাস-বিদ্যুতের ওপর চাপ কমাতে পারে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি বিশ্লেষণ সংস্থাগুলোও নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ বাড়ানোর পরামর্শ দিয়ে আসছে।

দেশের সৌর জ্বালানি রোডম্যাপ অনুযায়ী, কার্যকর পরিকল্পনা ও বিনিয়োগ করা গেলে ২০৪১ সালের মধ্যে ২০ হাজার মেগাওয়াট পর্যন্ত সবুজ বিদ্যুৎ উৎপাদনের সুযোগ রয়েছে। নদী অববাহিকা ও শিল্পাঞ্চলের ছাদকে কাজে লাগানো গেলে এ সক্ষমতা আরও বাড়িয়ে প্রায় ৩০ হাজার মেগাওয়াটে নেওয়া সম্ভব হতে পারে।

সব মিলিয়ে গ্যাস-বিদ্যুতের বর্তমান সংকট শুধু জনদুর্ভোগের বিষয় নয়; এটি দেশের শিল্প, কৃষি, কর্মসংস্থান ও সামগ্রিক অর্থনীতির ওপর দীর্ঘমেয়াদি চাপ তৈরি করছে। তাই তাৎক্ষণিকভাবে সরবরাহ স্বাভাবিক করার পাশাপাশি দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান, নবায়নযোগ্য জ্বালানি সম্প্রসারণ, জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় দক্ষতা এবং আমদানিনির্ভরতা কমানোর দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনাই হতে পারে টেকসই সমাধানের পথ।