tanaka

জন্মদিনে তারেক রহমানের শুভেচ্ছা, ধন্যবাদ জানালেন নরেন্দ্র মোদি

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুভেচ্ছার জবাবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের...
প্রচ্ছদআন্তর্জাতিকচ্যাটজিপিটির সাহায্যে ভার্জিনিয়ার এক নারী জিতলেন ১ লাখ ৫০ হাজার ডলার

চ্যাটজিপিটির সাহায্যে ভার্জিনিয়ার এক নারী জিতলেন ১ লাখ ৫০ হাজার ডলার

আমেরিকার ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে ঘটল একটি অভিনব ঘটনা। মিডলোথিয়ান শহরের বাসিন্দা ক্যারি এডওয়ার্ডস নামের এক নারী, যিনি চ্যাটজিপিটির সাহায্যে লটারির নম্বর বেছে নিয়েছিলেন, সেগুলোই তাকে এনে দিল বিপুল পরিমাণ অর্থ। ভার্জিনিয়া লটারি পাওয়ারবল ড্র-এ তিনি জিতলেন এক লাখ পঞ্চাশ হাজার ডলার। এই সাফল্যের কৃতিত্ব তিনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) টুল চ্যাটজিপিটিকে দিয়েছেন।

ঘটনাটি ৮ সেপ্টেম্বরের। পাওয়ারবল ড্র-এ অংশ নিতে ক্যারি একটি টিকিট কেনেন। টিকিট কেনার সময় তিনি চ্যাটজিপিটিকে মজা করে বলেন, “আমার জন্য কিছু নম্বর বাছো।” চ্যাটজিপিটি যেসব নম্বর বেছে দিয়েছিল, তার মধ্যে মিলে যায় চারটি প্রধান নম্বর এবং একটি পাওয়ারবল নম্বর। নিয়ম অনুযায়ী, এই জয়ে তিনি ৫০ হাজার ডলার পেয়েছিলেন। তবে, তিনি “পাওয়ার প্লে” অপশন নিতে এক ডলার অতিরিক্ত দিয়েছিলেন, যার ফলে পুরস্কারের পরিমাণ তিনগুণ বেড়ে দাঁড়ায় ১ লাখ ৫০ হাজার ডলার।

ক্যারি বলেন, “যখন আমার ফোনে মেসেজ আসলো যে আমি জিতেছি, তখন আমি বিশ্বাসই করতে পারিনি। প্রথমে ভেবেছিলাম, হয়তো কোনো প্রতারক আমার কাছে মেসেজ পাঠিয়েছে। পরে জানলাম, সত্যিই আমি এই অর্থ জিতেছি, আর এটা সম্ভব হয়েছে চ্যাটজিপিটির দেয়া নম্বরে।”

ক্যারি আরও জানান, “ঈশ্বরের আশীর্বাদ ছাড়া এত বড় একটি অর্থ পাওয়া আমার পক্ষে কখনোই সম্ভব ছিল না।” যদিও হঠাৎ পাওয়া এই বিপুল অর্থ নিজের বিলাসিতায় খরচ না করে, তিনি তা দান করার সিদ্ধান্ত নেন। ক্যারি ঘোষণা করেছেন, পুরো অর্থ তিনি তিনটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাকে দান করবেন, যাতে দেশের গরিব-অসহায় মানুষ উপকৃত হতে পারেন। দান করা সংস্থাগুলোর মধ্যে রয়েছে—অ্যাসোসিয়েশন ফর ফ্রন্টোটেম্পোরাল ডিজেনারেশন (AFTD), যেখানে তার প্রয়াত স্বামীর রোগ সম্পর্কিত গবেষণা হয়, শালোম ফার্মস, যারা খাদ্য সঙ্কট মোকাবিলা করে, এবং নেভি-মেরিন কর্পস রিলিফ সোসাইটি, যা সামরিক কর্মী ও তাদের পরিবারের পাশে দাঁড়ায়।

নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে তিনি বলেন, “এই আশীর্বাদ যখন আমার জীবনে এলো, আমি জানতাম কী করতে হবে। আমি চাই অন্যরাও যেন আমার মতো এই আশীর্বাদ ভাগ করে নিতে পারে। এজন্য আমি পুরো অর্থ দান করছি।”

সূত্র: হিন্দুস্থান টাইম