tanaka

জন্মদিনে তারেক রহমানের শুভেচ্ছা, ধন্যবাদ জানালেন নরেন্দ্র মোদি

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুভেচ্ছার জবাবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের...
প্রচ্ছদআন্তর্জাতিকগাজা যুদ্ধ: আরব নেতাদের সঙ্গে ট্রাম্পের বৈঠক মঙ্গলবার

গাজা যুদ্ধ: আরব নেতাদের সঙ্গে ট্রাম্পের বৈঠক মঙ্গলবার

গাজা যুদ্ধ বন্ধ ও যুদ্ধ-পরবর্তী পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করতে আগামী মঙ্গলবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে আরব ও মুসলিম দেশগুলোর একাধিক নেতার সঙ্গে বৈঠকে বসবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৈঠকটি স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

এই আলোচনার কয়েক দিন পর, ২৯ সেপ্টেম্বর হোয়াইট হাউসে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন ট্রাম্প। বৈঠকটি এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে যখন পশ্চিমা দেশগুলো ক্রমে ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিচ্ছে এবং ইসরাইল পশ্চিম তীরের অংশ পুনরায় সংযুক্ত করার হুমকি দিচ্ছে। তবে হোয়াইট হাউস এখনো এই বৈঠক নিয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করেনি।

আরব কর্মকর্তাদের বরাতে জানা গেছে, বৈঠকে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, মিশর, জর্ডান ও তুরস্কের নেতাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। ওয়াশিংটনের আশা, এই দেশগুলো গাজার যুদ্ধ-পরবর্তী স্থিতিশীলতায় ভূমিকা রাখবে এবং সম্ভব হলে আরব নেতৃত্বাধীন শান্তিরক্ষী বাহিনী পাঠানোর বিষয়েও সম্মত হতে পারে।

অন্যদিকে, আরব নেতারা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রতি আহ্বান জানাবেন—তিনি যেন নেতানিয়াহুর ওপর গাজায় যুদ্ধ বন্ধ এবং পশ্চিম তীর দখলের পরিকল্পনা পরিত্যাগে চাপ প্রয়োগ করেন। আমিরাত ইতিমধ্যেই হোয়াইট হাউসকে সতর্ক করেছে যে, পশ্চিম তীর সংযুক্তির যেকোনো পদক্ষেপ “আব্রাহাম অ্যাকর্ডস”-এর ভবিষ্যৎ হুমকির মুখে ফেলতে পারে।

গাজা-ভিত্তিক আলোচনার পাশাপাশি একই দিন উপসাগরীয় দেশগুলোর নেতাদের সঙ্গেও আরেকটি বৈঠক করার কথা রয়েছে ট্রাম্পের। এতে সৌদি আরব, আমিরাত, কাতার, ওমান, বাহরাইন ও কুয়েত অংশ নেবে। আলোচনার মূল বিষয় থাকবে কাতারে অবস্থানরত হামাস নেতাদের লক্ষ্য করে ইসরাইলের সাম্প্রতিক হামলা, যা উপসাগরীয় অঞ্চলে ইসরাইলের প্রথম আক্রমণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এসব দেশ ট্রাম্প প্রশাসনের কাছ থেকে ভবিষ্যতে এমন হামলা না করার নিশ্চয়তা চাইবে।

এই উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প চাচ্ছেন—একদিকে ইসরাইলের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন ধরে রাখতে, অন্যদিকে আরব দেশগুলোর যুদ্ধবিরতি ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চয়তার দাবি রক্ষা করে একটি ভারসাম্যমূলক অবস্থান নিতে।