ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের নতুন মৌসুমে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচের আগে দুঃসংবাদ পায় চেলসি। ওয়ার্ম-আপের সময় চোটে পড়েন কোল পালমার, ছিটকে যান একাদশ থেকে। তবে মাঠের পারফরম্যান্সে সেই ধাক্কা কোনো প্রভাব ফেলতে পারেনি ব্লুজদের ওপর।
লন্ডনের ওয়েস্ট হ্যামের মাঠে খেলা শুরুর ছয় মিনিটেই গোল হজম করে পিছিয়ে পড়ে চেলসি। লুকাস পাকেতার গোলে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। তবে দ্রুতই ঘুরে দাঁড়ায় এঞ্জো মারেস্কার দল। মাত্র ৯ মিনিটের ব্যবধানে সমতায় ফেরান ক্লাব বিশ্বকাপে অভিষেক হওয়া জোয়াও পেদ্রো। এরপর একের পর এক আক্রমণে বিধ্বস্ত করে ওয়েস্ট হ্যামকে।
২৩তম মিনিটে চেলসিকে এগিয়ে নেন পেদ্রো নেতো, আর প্রথমার্ধের অন্তিম মুহূর্তে ব্যবধান ৩-১ করেন এঞ্জো ফার্নান্দেজ। তাকে অ্যাসিস্ট করেন ব্রাজিলিয়ান তরুণ এস্তেভাও, যিনি মাত্র ১৮ বছর ১২০ দিন বয়সে প্রিমিয়ার লিগে অ্যাসিস্ট করে সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে নতুন রেকর্ড গড়েন। দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের স্বীকৃতিস্বরূপ ম্যাচসেরার পুরস্কারও উঠেছে তার হাতে।
দ্বিতীয়ার্ধে ফিরেও চেলসির দাপট বজায় থাকে। ৫৪তম মিনিটে মোইসেস কাইসেদোর গোলে ব্যবধান বাড়ে আরও। ওয়েস্ট হ্যাম গোলরক্ষক ম্যাডস হারমানসেন বল ক্লিয়ার করতে ব্যর্থ হলে সুযোগ কাজে লাগান কাইসেদো। এর চার মিনিট পর হেড থেকে পঞ্চম গোলটি করেন ডিফেন্ডার ট্রেভো চালোবাহ।
পুরো ম্যাচে ৬০ শতাংশ বল দখলে রেখে চেলসি ১২টি শটের মধ্যে ৭টি লক্ষ্যে রাখতে সক্ষম হয়। বিপরীতে ওয়েস্ট হ্যামের ১২টি শটের মধ্যে মাত্র ৪টি ছিল লক্ষ্যে।
৫-১ গোলের বড় জয়ে ২০২১ সালের ডিসেম্বরের পর প্রথমবার প্রিমিয়ার লিগের শীর্ষে উঠে আসে চেলসি। যদিও এই শীর্ষস্থান হয়তো অস্থায়ী, কারণ বাকি ১৮টি দল তখনো দ্বিতীয় রাউন্ডের ম্যাচ খেলেনি।



