tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদসারাদেশচট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের গেট ভেঙে বিক্ষোভ, ভবনে ঝুলিয়ে দেওয়া হলো তালা

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের গেট ভেঙে বিক্ষোভ, ভবনে ঝুলিয়ে দেওয়া হলো তালা

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে দিনভর সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভের পর চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের গেট ভেঙে নিয়ে গেছে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা শিক্ষা বোর্ডের ভবনেও তালা ঝুলিয়ে দেন।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেল ৫টার কিছু পর এ ঘটনা ঘটে। এর আগে বিকেল ৪টার দিকে নগরীর দুই নম্বর গেট এলাকা থেকে মিছিল নিয়ে শিক্ষার্থীরা চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে অবস্থান নেন। পরে তারা শিক্ষা বোর্ডের সচিবের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাদের দাবি তুলে ধরেন এবং শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শিক্ষার্থীদের একটি প্রতিনিধি দল সচিবের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে বের হয়ে এলে বাইরে থাকা আন্দোলনকারীরা তাদের বিরুদ্ধে ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দিতে থাকেন। একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা শিক্ষা বোর্ড ভবনে তালা ঝুলিয়ে দেন। এতে সাংবাদিকসহ অনেকেই কিছু সময়ের জন্য অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন।

পরে আন্দোলনকারীরা শিক্ষা বোর্ডের অন্য একটি ফটক ভেঙে সেটি নিয়ে রাস্তায় বিক্ষোভ শুরু করেন। সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত তাদের কর্মসূচি চলতে থাকে। তবে সাড়ে ৬টার দিকে তারা ভবনের গেটের তালা খুলে দেন।

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের সচিব মোহাম্মদ জহিরুল হক স্বপন বলেন, শিক্ষার্থীরা তাদের কিছু দাবি জানিয়েছে। বিষয়গুলো শুনে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। তাদের অন্যতম দাবি হলো সারা দেশের পরীক্ষা বন্ধ রাখা। তবে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা পরিস্থিতি বিবেচনায় ১৬ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত রাখা হয়েছে। প্রয়োজন হলে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীরা শিক্ষা বোর্ডের গেট ভেঙে ফেলেছে এবং ভবনে তালা দিয়ে কর্মকর্তাদের অবরুদ্ধ করেছে।

এর আগে মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে নগরীর ষোলশহর এলাকায় বিভিন্ন কলেজের শিক্ষার্থীরা জড়ো হন। পরে তারা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শিক্ষা বোর্ডের সামনে এসে অবস্থান নেন এবং সড়ক অবরোধ করেন। আন্দোলনকারীদের একটি প্রতিনিধি দল পরে তাদের দাবিগুলো শিক্ষা বোর্ড কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেয়।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের তিন দফা দাবি হলো— সাম্প্রতিক দুর্যোগ পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত রাখা, বৈরী আবহাওয়ার কারণে ১৩ জুলাই অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় যারা অংশ নিতে পারেননি তাদের জন্য পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা এবং আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার মধ্যেও পরীক্ষা চালু রাখায় অনেক পরীক্ষার্থী সময়মতো কেন্দ্রে পৌঁছাতে পারেননি। এতে বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। ক্ষতিগ্রস্তদের বিষয়টি বিবেচনা করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।