tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদরাজনীতি‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন আজ

‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন আজ

দেশের প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকদের আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বৃদ্ধি এবং কৃষি সেবাকে সম্পূর্ণ ডিজিটাল করার লক্ষ্যে সরকার ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি চালু করতে যাচ্ছে। আজ বাংলা নববর্ষের প্রথম দিনে টাঙ্গাইলের শহীদ মারুফ স্টেডিয়াম থেকে এ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন Tarik Rahman, Prime Minister। কৃষি খাতকে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর করার অংশ হিসেবেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রাথমিক পর্যায়ে দেশের ১০টি জেলার ১১টি উপজেলায় এই কর্মসূচি চালু করা হবে। পর্যায়ক্রমে প্রায় ৩০ লাখ কৃষক এই বিশেষ কার্ডের আওতায় আসবেন। কার্ডধারী কৃষকদের প্রত্যেককে সরকার থেকে সরাসরি ২ হাজার ৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।

গতকাল সচিবালয়ে কৃষি ও কৃষিজাত শিল্পে বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে এক ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান বিষয়ক উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন জানান, নির্বাচনের পর অল্প সময়ের মধ্যেই সরকার ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়ন শুরু করেছে। তার মতে, এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য কৃষকদের অধিকার সুরক্ষা এবং জীবনমান উন্নয়ন।

তিনি আরও জানান, প্রথম ধাপের আওতায় ১০টি জেলার ১১টি উপজেলায় কার্যক্রম শুরু হচ্ছে এবং টাঙ্গাইলে উদ্বোধনী দিনে প্রায় ১,৫০০ কৃষক-কৃষাণীর হাতে কার্ড তুলে দেওয়া হবে। ধাপে ধাপে দেশের প্রায় ৩০ লাখ কৃষক এতে অন্তর্ভুক্ত হবেন।

মাহদী আমিন বলেন, কৃষক কার্ড শুধু আর্থিক সহায়তা নয়; বরং এটি কৃষিনির্ভর অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। এর মাধ্যমে কৃষকরা সরাসরি ভর্তুকি, সার, উন্নত বীজ, সেচ সুবিধা ও কীটনাশক ন্যায্যমূল্যে পাবেন। পাশাপাশি স্বল্প সুদে ঋণ এবং ফসল বীমার সুবিধাও এতে যুক্ত থাকবে, যা প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত ক্ষতি মোকাবিলায় সহায়ক হবে।

তিনি আরও জানান, আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি ব্যবহার, নিয়মিত প্রশিক্ষণ এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে আবহাওয়া ও কৃষি তথ্য সরাসরি কৃষকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে। মৎস্য, প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি খাতের কৃষকরাও ধীরে ধীরে এই কর্মসূচির আওতায় আসবেন।

সরকারি সূত্রে বলা হয়েছে, ভর্তুকি বিতরণে মধ্যস্বত্বভোগীদের ভূমিকা কমিয়ে সরাসরি কৃষকের হাতে সুবিধা পৌঁছে দেওয়াই এই উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য। একই সঙ্গে উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার দিকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

মাহদী আমিন আরও উল্লেখ করেন, সরকারের চলমান উন্নয়ন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে নারীদের জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি ইতোমধ্যে চালু হয়েছে। পাশাপাশি ইমাম, মুয়াজ্জিন ও রিকশা শ্রমিকদের জন্য বিশেষ ভাতা ও সুবিধা প্রদানের বিষয়টিও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থানে নতুন উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে সামগ্রিক উন্নয়নের পথে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।