আঞ্চলিক উত্তেজনার কারণে জ্বালানি উৎপাদন বন্ধ ও আমদানিকারকদের কাছে ‘ফোর্স ম্যাজেউর’ ঘোষণা করার পর প্রথমবারের মতো এলএনজির একটি চালান পাঠিয়েছে কাতার। এই চালানের গন্তব্য হিসেবে বাংলাদেশের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
শনিবার (৭ মার্চ) মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি উৎপাদন বন্ধ এবং আমদানিকারকদের কাছে ফোর্স ম্যাজেউর ঘোষণার পর কাতার থেকে প্রথম এলএনজি চালান পাঠানো হয়েছে। শুক্রবার (৬ মার্চ) ‘লেব্রেথাহ’ নামের একটি জাহাজ কাতারের রাস লাফান রপ্তানি টার্মিনাল থেকে যাত্রা শুরু করে। জাহাজটি বাংলাদেশের উদ্দেশে রওনা হয়েছে এবং আগামী ১৪ মার্চ নাগাদ পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এর আগে চলতি সপ্তাহের শুরুতে ‘আল ঘাশামিয়া’ নামের আরেকটি কার্গো জাহাজে এলএনজি বোঝাই করা হয়, যা বর্তমানে পারস্য উপসাগরে অবস্থান করছে।
তবে এই চালানগুলো শেষ পর্যন্ত গন্তব্যে পৌঁছাবে কি না তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। কারণ বিশ্বের মোট এলএনজি সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ যে কৌশলগত হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হয়, চলমান আঞ্চলিক সংঘাতের কারণে সেই পথটি বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য কার্যত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
ব্লুমবার্গ জানিয়েছে, রুটটি পুরোপুরি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ‘লেব্রেথাহ’ জাহাজটিকে ভাসমান গুদাম হিসেবেও ব্যবহার করা হতে পারে।
সূত্র: ব্লুমবার্গ।



