tanaka

ভরিতে সোনার দাম বাড়লো ২১৫৮ টাকা

দেশের বাজারে সোনার গহনার দাম বাড়ানো হয়েছে। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার গহনার দাম বাড়ানো হয়েছে...
প্রচ্ছদজাতীয়কর্ণফুলী নদী ও মহেশ খাল পরিদর্শনে ৩ প্রতিমন্ত্রী

কর্ণফুলী নদী ও মহেশ খাল পরিদর্শনে ৩ প্রতিমন্ত্রী

চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসন ও খাল পুনঃখনন কার্যক্রম তদারকিতে কর্ণফুলী নদী এবং এর সঙ্গে সংযুক্ত মহেশ খালসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ খাল পরিদর্শন করেছেন সরকারের তিন প্রতিমন্ত্রী। তারা হলেন— নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজীব আহসান, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক ও ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন।

শনিবার (১৬ মে) তারা সরেজমিনে এসব এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (হারবার ও মেরিন) ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কমডোর আহমেদ আমিন আব্দুল্লাহ।

পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রীদের কর্ণফুলী নদীর নাব্যতা রক্ষা, খালগুলোর মুখে ড্রেজিং কার্যক্রম এবং পানি প্রবাহ স্বাভাবিক রাখার বিভিন্ন উদ্যোগ সম্পর্কে বিস্তারিত ব্রিফিং দেন বন্দর কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তারা।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, কর্ণফুলী নদীর নাব্যতা বজায় রাখা এবং নদীর সঙ্গে সংযুক্ত খালগুলোর মুখে নিরবচ্ছিন্ন পানিপ্রবাহ নিশ্চিত করতে নিজস্ব অর্থায়নে নিয়মিত ড্রেজিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। এর ফলে নগরীর পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা আরও কার্যকর হয়েছে এবং আসন্ন বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা কমাতে তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বন্দর কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, কর্ণফুলী নদীর সদরঘাট থেকে শাহ আমানত সেতুর উজান পর্যন্ত প্রায় ১ দশমিক ৫ কিলোমিটার নেভিগেশনাল চ্যানেল এবং নদীর সঙ্গে সংযুক্ত ৮টি গুরুত্বপূর্ণ খালে বছরে প্রায় ১৫ লাখ ঘনমিটার ড্রেজিং করা হচ্ছে। এতে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় থাকছে এবং পলি জমার প্রবণতাও কমছে।

ড্রেজিং কার্যক্রম পরিচালনায় চট্টগ্রাম বন্দরের নিজস্ব তহবিল থেকে প্রায় ৮৫ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে বলেও প্রতিমন্ত্রীদের জানানো হয়। বন্দর কর্তৃপক্ষের আশা, এই উদ্যোগের সুফল ইতোমধ্যে চট্টগ্রামবাসী পাচ্ছেন এবং ভবিষ্যতেও পাবেন।

পরিদর্শন শেষে নদী ও খাল ব্যবস্থাপনা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন প্রতিমন্ত্রীরা। একই সঙ্গে বর্ষা মৌসুমে নদীমুখ ভরাট হয়ে যেন নগরীতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক নজরদারি বজায় রাখার নির্দেশনা দেন তারা।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক (প্রশাসন) মো. ওমর ফারুক, চিফ হাইড্রোগ্রাফর কমান্ডার ওবায়েদুর রহমান, ভারপ্রাপ্ত পরিচালক (পরিবহন) গোলাম মোহাম্মদ সারোয়ারুল ইসলাম, পরিচালক (নিরাপত্তা) লে. কমান্ডার সৈয়দ সাজ্জাদুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।