tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদজাতীয়ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের জন্য নতুন নির্দেশনা

ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের জন্য নতুন নির্দেশনা

সরকারি হাসপাতালগুলোতে ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের চিকিৎসকদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার সময়সীমা নির্ধারণ করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এখন থেকে তারা শুধুমাত্র সোমবার ও বৃহস্পতিবার, দুপুর ১২টা থেকে ২:৩০টা পর্যন্ত চিকিৎসকদের সঙ্গে দেখা করতে পারবেন। নির্ধারিত সময়ের বাইরে হাসপাতালের সীমানায় অবস্থান সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

এছাড়া, রোগীর তথ্য, প্রেসক্রিপশন বা অন্য কোনো নথির ছবি তোলা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।

১১ সেপ্টেম্বর, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) ডা. এ বি এম আবু হানিফ স্বাক্ষরিত এক নোটিশে দেশের সব সরকারি হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে এই নির্দেশনাগুলো পাঠানো হয়। উদ্দেশ্য—চিকিৎসকদের ভাবমূর্তি রক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন।

নোটিশে আরও উল্লেখ করা হয়:

বেসরকারি কোম্পানির ওষুধের কোনো তালিকা চিকিৎসকদের টেবিলে রাখা যাবে না।সরকারি হাসপাতালগুলোতে ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের চিকিৎসকদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার সময়সীমা নির্ধারণ করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এখন থেকে তারা শুধুমাত্র সোমবার ও বৃহস্পতিবার, দুপুর ১২টা থেকে ২:৩০টা পর্যন্ত চিকিৎসকদের সঙ্গে দেখা করতে পারবেন। নির্ধারিত সময়ের বাইরে হাসপাতালের সীমানায় অবস্থান সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

প্রতিনিধিদের অবশ্যই দৃশ্যমানভাবে তাদের প্রতিষ্ঠানের আইডি কার্ড পরতে হবে। নিয়ম লঙ্ঘন করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সরকারি হাসপাতালে সরবরাহকৃত ওষুধ ও পরীক্ষাগুলো বাইরে থেকে করাতে বা কিনতে বলা যাবে না।

বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের প্যাড কিংবা কোম্পানির লোগোযুক্ত প্যাড ব্যবহার করে রোগ নির্ণয় বা প্রেসক্রিপশন দেওয়া নিষিদ্ধ।

সরকারি হাসপাতালে কেবল অনুমোদিত ও সরবরাহকৃত সিল ব্যবহার করা যাবে। তবে বিজ্ঞাপনবিহীন জেনেরিক সিল ব্যবহার করা যাবে।

এছাড়া, রোগীর তথ্য, প্রেসক্রিপশন বা অন্য কোনো নথির ছবি তোলা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।

১১ সেপ্টেম্বর, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) ডা. এ বি এম আবু হানিফ স্বাক্ষরিত এক নোটিশে দেশের সব সরকারি হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে এই নির্দেশনাগুলো পাঠানো হয়। উদ্দেশ্য—চিকিৎসকদের ভাবমূর্তি রক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন।