তুরস্কের ইস্তাম্বুলে অবস্থিত নিজেদের অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহাসিক কনস্যুলেট বন্ধ করে দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে ইসরাইল। সম্প্রতি এক ইসরাইলি সূত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি। গত এপ্রিল মাসে কনস্যুলেট ভবনের কাছে বন্দুক হামলার ঘটনার পর বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে।
তবে ইস্তাম্বুলের কনস্যুলেট বন্ধের আলোচনা চললেও আঙ্কারায় থাকা ইসরাইলি দূতাবাস চালু থাকবে বলে জানা গেছে। যদিও ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর নিরাপত্তাজনিত কারণে সেখান থেকে সব কূটনৈতিক কর্মী সরিয়ে নেওয়া হয়। বর্তমানে দূতাবাসটিতে কোনো ইসরাইলি কূটনীতিক অবস্থান করছেন না। একইভাবে ইস্তাম্বুলের ব্যবসায়িক এলাকায় থাকা কনস্যুলেট থেকেও আগেই কূটনৈতিক কর্মীদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এখন দুটি মিশনই স্থানীয় তুর্কি কর্মীদের মাধ্যমে সীমিত পরিসরে পরিচালিত হচ্ছে।
ইসরাইলি সূত্র জানিয়েছে, কনস্যুলেট পুরোপুরি বন্ধের বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে। মূলত ভবনটি ভূমিকম্প-ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় সেটি ভেঙে ফেলার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি দীর্ঘদিন খালি থাকা নিজস্ব মালিকানাধীন ভবনটির রক্ষণাবেক্ষণে বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় হওয়ায় তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে ইসরাইলি প্রশাসনের ভেতরে।
গত ৭ এপ্রিল কনস্যুলেট ভবনের কাছে বন্দুক হামলার পর পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে পুলিশ। এখন পর্যন্ত কোনো গোষ্ঠী হামলার দায় স্বীকার করেনি। তবে তুর্কি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ধর্মকে ব্যবহারকারী একটি সন্ত্রাসী সংগঠন এ হামলার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে।
সূত্র: টাইমস অব ইসরাইল



