tanaka

অনুমতি ছাড়া কর্মস্থল ত্যাগ নয়, কর্মঘণ্টার পূর্ণ সদ্ব্যবহারের নির্দেশ প্রধান বিচারপতির

আদালতের নির্ধারিত কর্মঘণ্টার পূর্ণ সদ্ব্যবহার এবং যথাযথ কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি ছাড়া কর্মস্থল ত্যাগ না করতে বিচারকদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। একই সঙ্গে...
প্রচ্ছদআন্তর্জাতিকইরান যুক্তরাষ্ট্রকে আগ্রাসনের শিক্ষাদান দিচ্ছে: আরাঘচি

ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে আগ্রাসনের শিক্ষাদান দিচ্ছে: আরাঘচি

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি সোমবার (১৬ মার্চ) জানান, হরমুজ প্রণালি বন্ধ রাখা হয়েছে কেবল শত্রু ও তাদের সহায়তাকারীদের জন্য। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ইরান কোনো যুদ্ধবিরতির আবেদন করেনি।

আরাঘচি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে যেকোনো যুদ্ধ সমাপ্তি অবশ্যই চূড়ান্ত ও স্থায়ী হতে হবে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র উল্লেখ করেছেন, যারা যুদ্ধের পক্ষ নয়, তারা ইরানি বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় ও অনুমতি সাপেক্ষে এই প্রণালিতে তাদের জাহাজ পার করতে পারছে।

দিনের শুরুর দিকে আরাঘচি ঘোষণা করেন, ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এই সংঘাত যতদূর প্রয়োজন, তেহরান তা পরিচালনার জন্য প্রস্তুত। সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, “এ পর্যন্ত তারা একটি শিক্ষণীয় অভিজ্ঞতা পেয়েছে এবং বুঝতে পেরেছে যে তারা এমন জাতির মুখোমুখি হয়েছে যারা নিজেদের রক্ষায় দ্বিধা করে না এবং যুদ্ধকে যেখানেই গড়াক না কেন এগিয়ে নিতে প্রস্তুত।”

অন্যদিকে, জাতিসংঘে ইরান ‘আইনহীন আগ্রাসনের’ কাছে নতি স্বীকার না করার অঙ্গীকার করেছে। দেশটি জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলি হামলায় তাদের নাগরিকরা ‘চরম বিপদে’ রয়েছে। জেনেভায় জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলে ইরানের রাষ্ট্রদূত আলী বাহরাইনি বলেন, ইরানের সবচেয়ে জরুরি মানবাধিকার ইস্যু হলো ৯ কোটি মানুষের জীবন, যারা বেপরোয়া সামরিক আগ্রাসনের ছায়ায় তাৎক্ষণিক বিপদের মুখে।

পশ্চিম এশিয়ার এই যুদ্ধকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে সবচেয়ে আইনহীন ও নীতিহীন আগ্রাসন হিসেবে অভিহিত করে তিনি সতর্ক করেন যে, এই উদাসীনতা অব্যাহত থাকলে ইরান একমাত্র শিকার দেশ হবে না।

সংঘাত শুরু হয়েছে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি, যখন মার্কিন-ইসরাইলি যৌথ হামলায় ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বকে লক্ষ্য করা হয়। প্রথম দিনেই সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন। প্রতিশোধ হিসেবে ইরান মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায় এবং হরমুজ প্রণালিকে কার্যত বন্ধ ঘোষণা করে, যা বৈশ্বিক তেলের প্রায় ২০% পরিবহন নিয়ন্ত্রণ করে। এর ফলে অপরিশোধিত তেলের দাম প্রতি ব্যারেলে ১০০ ডলারেরও বেশি হয়ে যায়।

এই সংঘাত ও জ্বালানি মূল্যবৃদ্ধির কারণে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্রমবর্ধমান আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ চাপের মুখে পড়েছেন। হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ থাকায় এবং অপরিশোধিত তেলের দাম ৪০% বৃদ্ধি পাওয়ায় মার্কিন প্রশাসন বাজার স্থিতিশীল রাখতে জরুরি পদক্ষেপ নিচ্ছে।

সূত্র: দ্য ইয়ন