tanaka

জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক পদে তানজিম ইবনে ওয়াহাবের নিয়োগ নবায়ন

বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক পদে তানজিম ইবনে ওয়াহাবের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ আরও এক বছরের জন্য নবায়ন করেছে সরকার। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখা থেকে...
প্রচ্ছদআন্তর্জাতিকইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য যুদ্ধ নিয়ে অনিশ্চয়তায় ট্রাম্প

ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য যুদ্ধ নিয়ে অনিশ্চয়তায় ট্রাম্প

ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য যুদ্ধ নিয়ে অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি। যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর কথা বললেও নির্দিষ্ট সময়সীমা উল্লেখ করেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত বুধবার তিনি জানান, ওয়াশিংটন আপাতত তেহরানের ওপর চাপ বজায় রাখবে এবং ইরানের কাছ থেকে ‘পরবর্তী আলোচনার প্রস্তাবের’ অপেক্ষায় থাকবে।

তবে সময়সীমা নির্ধারণ না করলেও ট্রাম্পের সামনে রয়েছে আইনি বাধ্যবাধকতা। যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধক্ষমতা সংক্রান্ত আইন অনুযায়ী, প্রেসিডেন্টকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কংগ্রেসের অনুমোদন নিতে হয়। চলমান কোনো সামরিক অভিযানে ৬০ দিনের বেশি সময় সেনা মোতায়েন রাখতে হলে কংগ্রেসের অনুমোদন অপরিহার্য।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ ধরনের অনুমোদনের জন্য প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট—উভয় কক্ষেই সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় যৌথ প্রস্তাব পাস করতে হয়। তবে এখন পর্যন্ত এমন কোনো অনুমোদন পাওয়া যায়নি।

যুদ্ধক্ষমতা আইন কী?
১৯৭৩ সালে প্রণীত ফেডারেল আইনটি প্রেসিডেন্টের যুদ্ধ শুরুর ক্ষমতা সীমিত করতে তৈরি করা হয়। এই আইনে বলা হয়েছে, সামরিক অভিযান শুরুর ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কংগ্রেসকে অবহিত করতে হবে এবং সর্বোচ্চ ৬০ দিন পর্যন্ত অভিযান চালানো যাবে। এর বাইরে অতিরিক্ত ৩০ দিন সময় পাওয়া গেলেও তার জন্য যৌক্তিক ব্যাখ্যা ও কংগ্রেসের অনুমোদন প্রয়োজন।

কলোরাডো ল’ স্কুলের আইন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মারিয়াম জামশিদি জানান, ৬০ দিনের সময়সীমা বাড়াতে হলে প্রেসিডেন্টকে লিখিতভাবে কংগ্রেসকে জানাতে হয় এবং সেটি ‘অপরিহার্য সামরিক প্রয়োজনে’ করা হচ্ছে—এমন যুক্তিও দিতে হয়।

তিনি আরও বলেন, সর্বোচ্চ ৯০ দিনের মধ্যে কংগ্রেস যদি যুদ্ধের অনুমোদন না দেয়, তাহলে প্রেসিডেন্টকে সেনা প্রত্যাহার করতে বাধ্য থাকার কথা। তবে বাস্তবে এই নিয়ম প্রয়োগে স্পষ্ট বাধ্যবাধকতা নেই, এবং অতীতে অনেক প্রেসিডেন্ট এই বিধানকে অসাংবিধানিক বলে উপেক্ষা করেছেন।

কংগ্রেস কি অনুমোদন দেবে?
বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় কংগ্রেসের অনুমোদন পাওয়া অনিশ্চিত। ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকানদের মধ্যে তীব্র বিভাজন রয়েছে। গত ১৫ এপ্রিল সিনেটে প্রেসিডেন্টের যুদ্ধক্ষমতা সীমিত করার একটি প্রস্তাব ৫২-৪৭ ভোটে বাতিল হয়, যেখানে দলীয় বিভাজনই ছিল প্রধান কারণ।