tanaka

নিরাপত্তা পরিষদের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন, দ্রুত সংস্কারের আহ্বান জি-৪-এর

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের বর্তমান কাঠামো নিয়ে প্রশ্ন তুলে দ্রুত সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছে জি-৪ জোট। ভারত, ব্রাজিল, জার্মানি ও জাপান নিয়ে গঠিত এই জোটের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা...
প্রচ্ছদআদালত‘ইন্টারনেট বন্ধ করে হত্যা’: জয় ও পলকের বিচার শুরু

‘ইন্টারনেট বন্ধ করে হত্যা’: জয় ও পলকের বিচার শুরু

চব্বিশের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান দমনে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে ও তৎকালীন তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় এবং সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। একই সঙ্গে প্রসিকিউশনের প্রারম্ভিক বক্তব্য উপস্থাপন ও সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করা হয়।

গ্রেপ্তার থাকা আসামি জুনাইদ আহমেদ পলককে অভিযোগ গঠনের শুনানিতে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। অপরদিকে, সজীব ওয়াজেদ জয় পলাতক থাকায় তার অনুপস্থিতিতেই বিচার কার্যক্রম চলবে বলে আদেশ দেন আদালত।

পলকের পক্ষে অব্যাহতির আবেদন উপস্থাপন করেন আইনজীবী লিটন আহমেদ এবং জয়ের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী হিসেবে শুনানিতে অংশ নেন মনজুর আলম। শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে দিয়ে উভয় আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।

এর আগে, গত ১১ জানুয়ারি চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের পক্ষে শুনানি করেন। সেদিন তিনি তিনটি অভিযোগ পাঠ করে শোনান এবং বিচার শুরুর আবেদন জানান।

অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই রাতে জয়ের নির্দেশে পলক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে উসকানিমূলক বক্তব্য দেন। এর পরদিন ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশ, আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের সশস্ত্র বাহিনী হামলা চালায়। একই সঙ্গে ইন্টারনেট বন্ধ করে মারণাস্ত্র ব্যবহারে উসকানি ও প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ আনা হয় আসামিদের বিরুদ্ধে।

প্রসিকিউশনের অভিযোগে আরও বলা হয়, এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তারা হত্যায় সহায়তা করেন। ফলে পুলিশ ও দলীয় সন্ত্রাসী বাহিনীর হামলায় রাসেল, মোসলেহ উদ্দিনসহ মোট ২৮ জন নিহত হন। এছাড়া তৃতীয় অভিযোগে উত্তরায় সংঘটিত ৩৪টি হত্যাকাণ্ডে সহায়তার কথাও উল্লেখ করা হয়।

এসব ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে গত ৪ ডিসেম্বর প্রসিকিউশনের দাখিল করা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আদালত আমলে নেন। পরবর্তীতে ১০ ডিসেম্বর সজীব ওয়াজেদ জয়কে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়ে দুটি জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।