ইউনিভার্সাল পোস্টাল ইউনিয়নের (ইউপিইউ) কাউন্সিল অব অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (সিএ)-এর সদস্য হিসেবে টানা দ্বিতীয়বারের মতো নির্বাচিত হয়েছে বাংলাদেশ। এই সাফল্যে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত ভোটাভুটিতে বাংলাদেশ ১৫৭টি সদস্য দেশের মধ্যে ৯৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয় এবং ১০ দেশের মধ্যে নবম স্থান অর্জন করে। নির্বাচনের ফলে ২০২৫–২০২৯ মেয়াদে পরবর্তী চার বছর ইউপিইউ-র এই গুরুত্বপূর্ণ নির্বাহী পরিষদে সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে বাংলাদেশ।
শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেসসচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, “এই পুনঃনির্বাচন প্রমাণ করে, আন্তর্জাতিক পরিসরে ডাক ও যোগাযোগ খাতে বাংলাদেশের সক্রিয়তা ও কূটনৈতিক দক্ষতা নতুন মাত্রা অর্জন করেছে। পূর্ববর্তী মেয়াদে সরাসরি অংশগ্রহণের সুযোগ সীমিত থাকায় এবারের নির্বাচনে সংশয় ছিল। তবে সমন্বিত প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ সে চ্যালেঞ্জ সফলভাবে মোকাবিলা করেছে।”
সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদ এ বিজয়কে ‘কূটনৈতিক সাফল্য’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, “বাংলাদেশের কৌশলগত প্রচারণা, আন্তরিক যোগাযোগ ও উন্নয়নশীল দেশের প্রতিনিধি হিসেবে দায়বদ্ধতার ফলেই এই অর্জন সম্ভব হয়েছে।”
উল্লেখ্য, ইউপিইউ জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা, যা বৈশ্বিক ডাক নীতিমালা প্রণয়ন, মান সংরক্ষণ ও আন্তঃদেশীয় সহযোগিতা নিশ্চিত করে। এর কাউন্সিল অব অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ডাক খাতের প্রশাসনিক কার্যক্রম ও আন্তর্জাতিক ডাক বিনিময়ের শৃঙ্খলা তদারকির দায়িত্ব পালন করে।



