সোমবার (৪ মে) বিকেলে ইরান থেকে চারটি ড্রোন ছোড়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় হয়ে তিনটি ড্রোন ভূপাতিত করতে সক্ষম হলেও একটি ড্রোন ফুজাইরার তেল শিল্প এলাকায় আঘাত হানে, এতে সেখানে আগুন লাগে।
বিকেল ৪টা ৫৯ মিনিটে আমিরাতজুড়ে বাসিন্দাদের মোবাইলে প্রথম জরুরি সতর্কবার্তা পাঠানো হয়। কিছু সময় পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানানো হলেও সন্ধ্যা ৭টার দিকে আবারও সম্ভাব্য মিসাইল হামলার সতর্কতা জারি করা হয়।
এ ঘটনায় ইরান তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।
অন্যদিকে, কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী ঘিরে উত্তেজনা তীব্র আকার ধারণ করেছে। মার্কিন অর্থমন্ত্রী দাবি করেছেন, এই জলপথ এখন যুক্তরাষ্ট্রের ‘পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে’ রয়েছে এবং তাদের নৌবাহিনী বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে। তবে ইরানি গণমাধ্যমের দাবি, তারা সেখানে একটি মার্কিন ফ্রিগেটে হামলা চালিয়েছে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড এই দাবি নাকচ করে জানিয়েছে, তাদের কোনো যুদ্ধজাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি।
এই অস্থিরতার মধ্যেই আমিরাতের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি অ্যাডনকের একটি ট্যাংকার ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে। দুটি ড্রোন দিয়ে চালানো ওই হামলায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি, তবে ঘটনাটির তীব্র নিন্দা জানিয়েছে আমিরাত। একই সময়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ অভিযান ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ শুরু হয়েছে।
বর্তমানে এ অঞ্চলের আকাশপথে আংশিক বিধিনিষেধ থাকলেও দুবাই বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা ধীরে ধীরে স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এদিকে ব্রিটিশ মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস হরমুজ প্রণালী ও আশপাশের এলাকায় উচ্চ সতর্কতা বজায় রাখার পরামর্শ দিয়েছে।



