বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও বৈদেশিক লেনদেনের পরিমাণ বাড়ছে। এর সঙ্গে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার বিনিময় হারেও নিয়মিত ওঠানামা দেখা যাচ্ছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও বাণিজ্যিক ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত কয়েক মাসে মার্কিন ডলারের দাম বেড়ে সর্বোচ্চ ১২৩ টাকা ৮২ পয়সায় উঠেছিল। বর্তমানে ডলার ১২২ টাকা ৭৫ পয়সায় লেনদেন হচ্ছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক ও দেশের বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংকের তথ্যের ভিত্তিতে আজ মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬) বিভিন্ন বৈদেশিক মুদ্রার সর্বনিম্ন বিনিময় হার তুলে ধরা হলো—
| মুদ্রার নাম | বাংলাদেশি টাকায় বিনিময় হার |
|---|---|
| ইউএস ডলার | ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা |
| ইউরো | ১৩৯ টাকা ৫৬ পয়সা |
| পাউন্ড স্টার্লিং | ১৬২ টাকা ৬৬ পয়সা |
| কানাডিয়ান ডলার | ৮৬ টাকা ৫৮ পয়সা |
| অস্ট্রেলিয়ান ডলার | ৮৬ টাকা ০৯ পয়সা |
| চীনা ইউয়ান | ১৮ টাকা ২৮ পয়সা |
| সিঙ্গাপুরি ডলার | ৯৬ টাকা ০৮ পয়সা |
| ভারতীয় রুপি | ১ টাকা ২৭ পয়সা |
| মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত | ৩০ টাকা ২০ পয়সা |
| সৌদি রিয়াল | ৩২ টাকা ৮০ পয়সা |
| কাতারি রিয়াল | ৩৩ টাকা ৮০ পয়সা |
| কুয়েতি দিনার | ৩৯৯ টাকা ০৮ পয়সা |
| সংযুক্ত আরব আমিরাতের দিরহাম | ৩৩ টাকা ৫৫ পয়সা |
নোট: বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার ব্যাংক, লেনদেনের ধরন ও বাজার পরিস্থিতি অনুযায়ী পরিবর্তিত হতে পারে।
আর্থিক খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বাজার তদারকি এবং রেমিট্যান্স প্রবাহ ইতিবাচক থাকায় বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে স্থিতিশীলতা কিছুটা বেড়েছে। এর ফলে খোলাবাজার ও আনুষ্ঠানিক বাজারের বিনিময় হারের ব্যবধানও আগের তুলনায় কমেছে।
তবে আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতি, আমদানি-রপ্তানি, রেমিট্যান্স প্রবাহ এবং বৈদেশিক মুদ্রার চাহিদার ওপর ভিত্তি করে বিনিময় হার পরিবর্তিত হতে পারে। ফলে আমদানিকারক, রপ্তানিকারক ও সাধারণ গ্রাহকদের লেনদেনের আগে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক বা অনুমোদিত মানি এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠানের সর্বশেষ হার যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া হয়।



