tanaka

পাঁচ মাসে বিদেশি ঋণ পরিশোধ ২০৪ কোটি ডলার

বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর পাঁচ মাসে বিদেশি ঋণের আসল ও সুদ বাবদ রেকর্ড ২০৪ কোটি ৭৬ লাখ মার্কিন ডলার পরিশোধ করা হয়েছে। চলতি...
প্রচ্ছদআন্তর্জাতিকঅস্ত্রভাণ্ডার প্রস্তুত, ইরানকে কড়া বার্তা যুক্তরাষ্ট্রের

অস্ত্রভাণ্ডার প্রস্তুত, ইরানকে কড়া বার্তা যুক্তরাষ্ট্রের

যুক্তরাষ্ট্রের কাছে প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি অস্ত্র মজুত রয়েছে এবং প্রয়োজনে ইরানের বিরুদ্ধে আবারও সামরিক অভিযান চালানোর সক্ষমতা দেশটির রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী Pete Hegseth। ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য শান্তিচুক্তি নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যেই তিনি এ সতর্কবার্তা দিয়েছেন।

শনিবার (৩০ মে) সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত Shangri-La Dialogue-এ বক্তব্য দিতে গিয়ে হেগসেথ বলেন, প্রয়োজন হলে যুক্তরাষ্ট্র পুনরায় যুদ্ধ শুরু করতে সক্ষম। তিনি দাবি করেন, দেশটির অস্ত্রভাণ্ডার অত্যন্ত শক্তিশালী এবং বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে মোতায়েন রয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের আধুনিক গোলাবারুদ ব্যবহারের সক্ষমতাও যুক্তরাষ্ট্রের রয়েছে।

এর কয়েক ঘণ্টা আগে ইরানের সঙ্গে সংঘাতের অবসান এবং সম্ভাব্য চুক্তি নিয়ে Donald Trump-এর নেতৃত্বে ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের বৈঠক কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ছাড়াই শেষ হয়।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা নিরসনের লক্ষ্যে আলোচনা অব্যাহত থাকলেও এখনো কোনো চূড়ান্ত সমঝোতা হয়নি। এর আগে ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, এমন একটি চুক্তি বিবেচনা করা হতে পারে যেখানে ইরানকে বড় ধরনের ছাড় দিতে হবে। সম্ভাব্য শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে Strait of Hormuz-এ অবাধ নৌচলাচল নিশ্চিত করা এবং দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচি পুরোপুরি বন্ধ করা। তবে ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এ বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত চুক্তি হয়নি।

সম্মেলনে হেগসেথ চীনের ক্রমবর্ধমান সামরিক সক্ষমতা নিয়েও মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, বেইজিংয়ের সামরিক শক্তি বৃদ্ধি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের যথাযথ উদ্বেগ রয়েছে। তবে ওয়াশিংটন এমন একটি আঞ্চলিক ভারসাম্য চায়, যেখানে কোনো একক দেশ আধিপত্য বিস্তার করতে না পারে কিংবা মিত্র দেশগুলোর নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধির জন্য হুমকি হয়ে না ওঠে।

তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে একটি সম্মানজনক ও স্থিতিশীল শক্তির ভারসাম্য বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

এদিকে বিশ্লেষকদের মতে, Dong Jun-এর এবারের শাংরি-লা ডায়ালগে অনুপস্থিতি ইঙ্গিত করছে যে বেইজিং তার বর্তমান অবস্থান নিয়ে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী। তবে তাদের সতর্ক মন্তব্য, ইরান সংকট বা তাইওয়ান ইস্যুর মতো গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা প্রশ্নে উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিত্ব না থাকলে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক অঙ্গনে চীনকে বাড়তি চাপের মুখে পড়তে হতে পারে।