tanaka

অনুমতি ছাড়া কর্মস্থল ত্যাগ নয়, কর্মঘণ্টার পূর্ণ সদ্ব্যবহারের নির্দেশ প্রধান বিচারপতির

আদালতের নির্ধারিত কর্মঘণ্টার পূর্ণ সদ্ব্যবহার এবং যথাযথ কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি ছাড়া কর্মস্থল ত্যাগ না করতে বিচারকদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। একই সঙ্গে...
প্রচ্ছদলাইফষ্টাইলবিনোদনঅস্কারে যাচ্ছে না ‘সাবা’, ক্ষোভ প্রকাশ করলেন মেহজাবীনের স্বামী রাজীব

অস্কারে যাচ্ছে না ‘সাবা’, ক্ষোভ প্রকাশ করলেন মেহজাবীনের স্বামী রাজীব

অস্কারের ৯৮তম আসর অনুষ্ঠিত হবে আগামী বছর। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এবার যে সিনেমাটি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রতিযোগিতার জন্য পাঠানো হচ্ছে, সেটি হলো লিসা গাজী পরিচালিত ‘বাড়ির নাম শাহানা’। সম্প্রতি ঢাকায় এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেয় অস্কার বাংলাদেশ কমিটি।

এদিকে, মুক্তির পর থেকেই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রশংসিত হওয়া সত্ত্বেও, পরিচালক মাকসুদ হোসেন পরিচালিত ও অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী অভিনীত ‘সাবা’ সিনেমাটি নির্বাচিত না হওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেছেন মেহজাবীনের স্বামী ও নির্মাতা আদনান আল রাজীব।

নিজের সামাজিকমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে রাজীব লিখেছেন:

“একটি চলচ্চিত্র যখন টরন্টো ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালসহ আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ আসরগুলোতে স্বীকৃতি পায়, অথচ দেশের অস্কার কমিটি তাকে উপেক্ষা করে, তখন তা হতাশাজনক। ‘বাড়ির নাম শাহানা’ নিঃসন্দেহে একটি ভালো সিনেমা হতে পারে, তবে যদি লক্ষ্য হয় অস্কারে শক্তিশালী উপস্থাপন, তাহলে ‘সাবা’ ছিল আরও যথার্থ একটি পছন্দ।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন,

“আমাদের কমিটিগুলো প্রকৃত উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করে না। আমরা এখনো তৃতীয় বিশ্বের দেশ, কারণ এখানে এখনও ব্যক্তিগত স্বার্থ অগ্রাধিকার পায়।”

‘বাড়ির নাম শাহানা’ সিনেমাটি ১৯ সেপ্টেম্বর মুক্তি পেয়েছে। এটি একজন তালাকপ্রাপ্ত নারীর জীবনের সংগ্রামকে কেন্দ্র করে নির্মিত এবং সত্য ঘটনার অনুপ্রেরণায় তৈরি। সিনেমাটিতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন আনান সিদ্দীকা। এটি লন্ডন, শিকাগো, মেলবোর্ন ও মুম্বাইয়ের মতো আন্তর্জাতিক উৎসবে প্রদর্শিত হয়েছে।

অন্যদিকে, ‘সাবা’ সিনেমাটিও মুক্তির পর আন্তর্জাতিক উৎসবে প্রশংসিত হয়। তবে শেষ পর্যন্ত এটি অস্কারে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বের জন্য মনোনয়ন পায়নি।

এই বিতর্কে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন নির্মাতা নুহাশ হুমায়ূন-ও। রাজীবের পোস্টের মন্তব্যে তিনি লেখেন:

“আমি তোমার সঙ্গে একমত… ‘সাবা’ ছবিটিই আমার বেশি ভালো লেগেছে। এটি নিঃসন্দেহে ব্যক্তিগত মত, তবে মনে করি এটিই আরও উপযুক্ত হতো।”

বাংলাদেশের চলচ্চিত্র অঙ্গনে অস্কার নির্বাচনের প্রক্রিয়া নিয়ে এই বিতর্ক নতুন নয়। তবে এবারের আলোচনায় যোগ হওয়ায় আবারও প্রশ্ন উঠছে—আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বে কোন চলচ্চিত্র সবচেয়ে যোগ্য?