tanaka

বাস-মিনিবাসের ভাড়া বাড়ল, কার্যকর ২২ সেপ্টেম্বর থেকে

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে বাস ও মিনিবাসের ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ১৭ পয়সা বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়। বুধবার (২৩...
প্রচ্ছদজাতীয়অবশেষে লন্ডনের হাই কমিশনার আবিদা ইসলামকে প্রত্যাহার

অবশেষে লন্ডনের হাই কমিশনার আবিদা ইসলামকে প্রত্যাহার

শাহান চৌধুরী, লন্ডন: যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশি কমিউনিটিকে বিভক্ত করা ও আওয়ামী লীগের সাথে সখ্যতা করার অভিযোগে লন্ডনস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনার আবিদা ইসলামকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
শনিবার যুক্তরাজ্য সফরকালে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র, বেসামরিক বিমান ও পর্যটন এবং ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, ব্রিটিশ বাংলাদেশি কমিউনিটির স্বার্থ ও সুবিধার গুরুত্ব যথাযথভাবে বিবেচনা না করা এবং রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ ওঠায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, তার কর্মকাণ্ড কমিউনিটির মধ্যে বিভাজন তৈরি করেছে এবং বাংলাদেশের ভাবমূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকার তাকে অবিলম্বে প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পরবর্তী প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলে জানানো হয়েছে।
আবিদা ইসলাম যে কট্টর আওয়ামী লীগের ও শেখ হাসিনার ভক্ত এ সিরিজে নিউজ হয়েছে দৈনিক দিনকাল পত্রিকা ।
রিপোর্ট উল্লেখ করা হয়, মেক্সিকো তে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত আবিদা ইসলাম, যিনি কট্টর আওয়ামী লীগার এবং শেখ হাসিনা’র একনিষ্ঠ ভক্ত হিসেবে পরিচিত থাকে লন্ডনের হাই কমিশনের হিসেবে যদি যুক্ত করা হয়েছে।
আবিদা ইসলাম, বিগত ৭ বছর রাষ্ট্রদূত হিসেবে থাকাবস্থায় শেখ মুজিব, শেখ হাসিনা এবং পতিত আওয়ামীলীগের বন্দনা আর অফিসার-স্টাফদের সাথে চূড়ান্ত খারাপ/ উগ্র ব্যবহার/ বদমেজাজ দেখানো ছাড়া আর কিছুই করেননি। তাঁর উগ্র বদমেজাজের প্রেক্ষিতে ২৭ ব্যাচের অফিসার কাউন্সিলর শাহনাজ রানু সাবেক পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেনের (জাপানে এক সাথে কাজ করার সুবাদে পূর্ব পরিচিত) নিকট অনেক অনুনয়-বিনয় করে নির্ধারিত সময়ের এক বছর আগেই আবু ধাবিতে পোস্টিং নিয়ে রক্ষা পান।

আবিদা মেক্সিকোতে যোগদানের ৫ মাসের মাথায় নিজের পকেট থেকে ৫ লক্ষ টাকা খরচ করে শেখ মুজিবের আবক্ষমুর্তি দূতাবাসে স্হাপন করেন। ভাড়া করা অফিসে মূর্তি স্হাপনের কোন বাধ্যবাদকতা না থাকা সত্ত্বেও শুধুমাত্র দলীয় আনুগত্যের কারনে তিনি এ কাজ করেন।

এছাড়াও আগস্ট বিপ্লবের প্রথম সপ্তাহে শেখ মুজিবের আত্মজিবনীর (unfinished menoire) উপর স্প্যানিশ ভাষায় অনূদিত বইটি তৃতীয় দফায় ১০ লক্ষ টাকা খরচ করে কয়েক হাজার বই ছাপান। সেগুলো নিয়ে বর্তমানে অনেক বিপাকে রয়েছেন।

শেখ হাসিনার পালিয়ে যাওয়ার পর থেকে তিনি এখনও শোক কাটিয়ে উঠতে পারেননি। অফিসেও অনিয়মিত। সপ্তাহে একদিন অফিস করেন। বাসা থেকেই সরকারী ফাইল পত্রে স্বাক্ষর করেন।

আবিদা ইসলামকে লন্ডনে হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগের পক্ষে দূতিয়ালী করেছেন তারই ব্যাচমেট ব্রাসেলসে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত মাহবুব হাসান সালেহ – যাকে ইতোমধ্যে মন্ত্রণালয়ে ফেরৎ আসার নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। সালেহ ছাত্রজীবনে বুয়েট ছাত্রলীগের উপরের সারির নেতা ছিলেন। জনাব সালেহ, উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেনের সাথে কলকাতায় নিবিড়ভাবে কাজ করার সময় ব্যাপক সখ্যতা গড়ে তোলেন। জনাব সালেহ মূলত: উপদেষ্টাকে রাজী করিয়ে তাঁর দীর্ঘদিনের ‘বান্ধবী’ আবিদার লন্ডনে হাইকমিশনার হিসেবে পোস্টিং নিশ্চিত করেন। সালেহ দিল্লীতে কাজ করার সময় ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্হা ‘র’ এর সাথে বোঝাপড়ার সম্পর্ক গড়ে তুলেন। মন্ত্রণালয়ে সবাই সালেহকে র’য়ের এদেশীয় এজেম্ট হিসেবে জানে।পতিত হাসিনার লন্ডনে রাজনৈতিক আশ্রয় পাওয়ার লক্ষ্যে এবং জনাব তারেক জিয়া’র বিরুদ্ধে লন্ডন সরকারের নিকট অবস্হান নেয়া নিশ্চিত করার জন্য মাহবুব সালেহ তাঁর বান্ধবী আবিদা কে লন্ডনে পোস্টিং নিশ্চিত করেন।