দীর্ঘ ২০ মাস পর রাজা তৃতীয় চার্লসের সঙ্গে দেখা হয়েছে প্রিন্স হ্যারির। তাদের সর্বশেষ সাক্ষাৎ হয়েছিল ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে, যখন রাজা চার্লস প্রথমবারের মতো ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার খবর প্রকাশ করেন। সেই সময় যুক্তরাষ্ট্র থেকে অল্প সময়ের জন্য লন্ডনে এসে হ্যারি মাত্র ৩০ মিনিট বাবার সঙ্গে দেখা করেছিলেন।
এবার ২০২৫ সালের ১০ সেপ্টেম্বর, স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ২০ মিনিটে হ্যারি গাড়ি করে লন্ডনের ক্ল্যারেন্স হাউসে পৌঁছান। সেখানে বাবার সঙ্গে একান্তে চা-চক্রে অংশ নেন এবং প্রায় ৫৫ মিনিট সময় কাটান। পরে ইনভিক্টাস ইভেন্টে অংশ নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে সংক্ষেপে বলেন, “জি, উনি ভালো আছেন, ধন্যবাদ।”
এর কয়েক ঘণ্টা আগে রাজা স্কটল্যান্ড থেকে লন্ডনে ফিরে ক্ল্যারেন্স হাউসে প্রবেশ করেন।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই সাক্ষাৎ হ্যারি ও তার বড় ভাই প্রিন্স উইলিয়ামের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নের সম্ভাবনা না থাকলেও, রাজপরিবারের ভেতরে জমে থাকা দ্বন্দ্ব কমানোর একটি সম্ভাব্য পদক্ষেপ হতে পারে।
রাজপরিবার বিশ্লেষক মোক ও’কিফ ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম মেট্রোকে বলেন, “আমরা অনেকেই পরিবারে মতবিরোধে জড়াই। তাই এই দুই রাজপুত্র এবং রাজাকে নিয়ে আরও সহানুভূতিশীল হওয়া উচিত। এটি হয়তো পুনর্মিলনের সূচনা হতে পারে।”
তিনি আরও বলেন, “রাজা চার্লসকে রানি ক্যামিলার সঙ্গে সুখী দেখেই জনগণ তাঁকে গ্রহণ করেছে। একইভাবে সাসেক্সের ডিউক ও তার পরিবারের প্রতি সহমর্মিতা দেখানো উচিত।”
চার দিনব্যাপী দাতব্য কার্যক্রমে অংশ নিতে হ্যারি সোমবার যুক্তরাজ্যে ফিরে আসেন। এ সময় তাঁর স্ত্রী মেগান মার্কল যুক্তরাষ্ট্রেই ছিলেন, সাত বছর বয়সী আর্চি ও চার বছর বয়সী লিলিবেটের দেখাশোনায় ব্যস্ত।



