tanaka
প্রচ্ছদজাতীয়পরিস্থিতির উন্নতি না হলে সোমবার থেকে কারখানা বন্ধের হুঁশিয়ারি বিজিএমইএর

পরিস্থিতির উন্নতি না হলে সোমবার থেকে কারখানা বন্ধের হুঁশিয়ারি বিজিএমইএর

পোশাকশিল্প এলাকায় শ্রমিক অসন্তোষ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি না হলে আগামী সোমবার (২ নভেম্বর) থেকে কারখানা বন্ধ করে দিতে বাধ্য হবেন মালিকরা। এমন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি মাহমুদ হাসান খান।

রোববার (১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় তিনি এ সতর্কবার্তা দেন।

এদিকে, দিনভর শ্রমিকদের বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধের কারণে দেশের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে পোশাক কারখানার উৎপাদন কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে। পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে বিভিন্ন এলাকায় আন্দোলন করছেন শ্রমিকরা। এতে সড়কে যান চলাচল বিঘ্নিত হওয়ার পাশাপাশি কারখানাগুলোতে স্বাভাবিক উৎপাদনও ব্যাহত হচ্ছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কয়েকটি শিল্পাঞ্চলের কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। বিজিএমইএর তথ্যমতে, ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) এলাকা, গাজীপুর-ময়মনসিংহ, সাভার-আশুলিয়া ও জিরানী শিল্পাঞ্চলের বিভিন্ন কারখানায় শ্রমিক অসন্তোষের কারণে উৎপাদন বন্ধ রয়েছে।

এদিকে, তৈরি পোশাকশিল্পে চলমান অস্থিরতা নিরসনে প্রধানমন্ত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, শ্রমমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ে বৈঠক করেছেন। বৈঠকে শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির দাবি এবং শিল্পাঞ্চলে স্বাভাবিক উৎপাদন পরিবেশ ফিরিয়ে আনার বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির দাবি, মালিকপক্ষের অবস্থান এবং সরকারের উদ্যোগ—সব মিলিয়ে দেশের প্রধান রপ্তানি আয়ের এই খাতে উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা বাড়ছে।

সংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা, দ্রুত পরিস্থিতির উন্নতি না হলে সোমবার থেকে আরও বেশি কারখানা বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এতে পোশাকশিল্পের উৎপাদন ও রপ্তানি কার্যক্রমে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।