tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদরাজনীতিজুলাই সনদ বাস্তবায়নে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি এনসিপির

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি এনসিপির

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে একাধিক দফা আলোচনা করেছে জাতীয় ঐক্যমত্য কমিশন। তবে এখনও মতৈক্যে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। এ সনদ নিয়ে অভ্যুত্থানের অংশীজনদের সঙ্গেও বাকবিতণ্ডা হয়েছে।

বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি-সহ সব রাজনৈতিক দল এরই মধ্যে জুলাই সনদের খসড়া জমা দিয়েছে ঐক্যমত্য কমিশনে। এতে করে দাবি ও বিরোধ আরও স্পষ্ট হয়েছে।

সম্প্রতি এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ঘোষণা দেন— জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হলে দলটি নির্বাচনে অংশ নেবে না।

এদিকে বিএনপির সঙ্গে মতপার্থক্য কতটা কমেছে এবং নিজেদের অবস্থান কী, তা পরিষ্কার করেছেন এনসিপি নেতারা।

এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন জানান, বেশিরভাগ দল উচ্চকক্ষে পিআর পদ্ধতির কথা বললেও বিএনপিসহ কয়েকটি দল তা মানছে না। তারা নিম্নকক্ষের অনুপাতে উচ্চকক্ষে প্রতিনিধিত্বের প্রস্তাব দিয়েছে। দ্বিতীয় দফার বৈঠকে ২০টি ইস্যুর মধ্যে ৭টিতেই বিএনপি “নোট অব ডিসেন্ট” দিয়েছে।

এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব বলেন, জুলাই সনদের স্থায়িত্ব ও সাংবিধানিক ভিত্তির জন্য আসন্ন নির্বাচন গণপরিষদ নির্বাচন হওয়া জরুরি। তবে বিএনপি সনদকে রাজনৈতিক সমঝোতার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে চাইছে। দলটি পুরনো কাঠামো, সংবিধান ও আইন রেখে সনদকে রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি হিসেবে দেখছে।

অন্যদিকে এনসিপি চাইছে জুলাই সনদকে আইনি ভিত্তি দিয়ে সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করতে। তাদের মতে, সনদ বাস্তবায়নে বিএনপির সদিচ্ছা অপরিহার্য।

আখতার হোসেন বলেন, “বিএনপির সদিচ্ছা থাকলে এখন থেকেই জুলাই সনদ কার্যকর করা সম্ভব। আর যদি বাস্তবায়নে বাধা দেওয়া হয়, তা জাতির সঙ্গে প্রতারণা হবে।”

আরিফুল ইসলাম আদীব জানান, “জুলাই সনদের অধিকাংশ বিষয়ে বিএনপি ইতিমধ্যেই একমত হয়েছে। তাই এখনই এর আইনি ভিত্তি দিয়ে নির্বাচনের আয়োজন করা উচিত।”

তবে বাস্তবায়ন ব্যাহত হলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন এনসিপি নেতারা। আখতার হোসেন বলেন, “সনদ বাস্তবায়নের পাশাপাশি ঐকমত্য হওয়া সাংবিধানিক বিষয়গুলো নতুন সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। অন্যথায় সব পক্ষকে নিয়ে রাজপথে নামতে হবে।”

আরিফুল ইসলাম আদীব আশা প্রকাশ করে বলেন, “সনদ নিয়ে বিএনপি তার রাজনৈতিক অবস্থান পরিবর্তন করবে। আইনি ভিত্তি প্রতিষ্ঠার জন্য অন্যান্য দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার পথ বের করবে।”

এনসিপি নেতাদের দাবি, নব্বইয়ের ৩ দলীয় রূপরেখা বাস্তবায়ন না হওয়ায় জনগণ হতাশ হয়েছিল। তাই সেই অভিজ্ঞতার পুনরাবৃত্তি এড়াতে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন এখন সময়ের দাবি।