tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদরাজনীতিশেখ হাসিনার নীলনকশা: দেশজুড়ে অস্থিরতা তৈরির পরিকল্পনা

শেখ হাসিনার নীলনকশা: দেশজুড়ে অস্থিরতা তৈরির পরিকল্পনা

নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, আওয়ামী লীগ দেশজুড়ে অস্থিরতা সৃষ্টির জন্য একাধিক পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। এসব পরিকল্পনার লক্ষ্য কারাগার, হাসপাতাল, শিক্ষার্থীদের আন্দোলন এবং মুক্তিযুদ্ধ-ভিত্তিক ইস্যু। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সহানুভূতি ও রাজনৈতিক সুবিধা অর্জনের কৌশলও অন্তর্ভুক্ত আছে।

কারাগারে অস্থিরতা:
প্রথম ধাপে গাজিপুরের কাশিমপুর, যশোর এবং সিলেট কারাগারে অস্থিরতা ছড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। গাজীপুরের সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের লোকজন এই দায়িত্ব পেয়েছেন। কলকাতায় থাকা জাহাঙ্গীরকে শেখ হাসিনা বিভিন্ন সময়ে সরাসরি ফোনে নির্দেশ দিয়েছেন। ভবিষ্যতে দেশের সব কারাগারে ধাপে ধাপে অস্থিরতা ছড়ানোর লক্ষ্য রয়েছে।

হাসপাতালে সংকট:
হাসপাতালে চিকিৎসা সেবায় বিঘ্ন সৃষ্টি করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এতে ডাক্তার বা মেডিকেল শিক্ষার্থীদের আন্দোলন, যন্ত্রপাতি নষ্ট বা পরীক্ষার কিট সংকটের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে ভোগান্তিতে ফেলা হতে পারে।

শিক্ষার্থীদের আন্দোলন:
শিক্ষার্থীদের রাস্তায় নামিয়ে আন্দোলন গড়ে তোলার আলাদা পরিকল্পনা রয়েছে। মুক্তিযুদ্ধ ও শেখ মুজিবকে কেন্দ্র করে সুশীল সমাজের মাধ্যমে কর্মসূচি আয়োজনও করা হবে। গ্রেপ্তার বা হামলার ঘটনা আন্তর্জাতিকভাবে তুলে সহানুভূতি আদায়ের চেষ্টা করা হবে।

নেতাদের অবস্থান ও সোশ্যাল মিডিয়া কৌশল:
জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের অনেক নেতা ঢাকায় অবস্থান করছেন, আর ঢাকার প্রভাবশালী নেতারা কলকাতায়। স্থানীয় নেতারা সরাসরি সহিংসতা ও আন্দোলনে অংশ নেবেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তি ও ভুয়া তথ্য ছড়ানোর কৌশলও হাতে নেওয়া হয়েছে।

গোপালগঞ্জে এনসিপি সমাবেশে হামলা:
সূত্র জানায়, গোপালগঞ্জে এনসিপির সমাবেশে হামলার সমন্বয় করেছেন শেখ হেলাল। এতে অংশ নেওয়া নেতাদের কলকাতায় পুরস্কৃত করার প্রতিশ্রুতি রয়েছে।

কলকাতার ‘জয় বাংলা চত্বর’:
কলকাতার নিউমার্কেট সংলগ্ন একটি স্থানে ‘জয় বাংলা চত্বর’ নামে আড্ডা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ, সাবেক এমপি ও কেন্দ্রীয় নেতারা নিয়মিত অংশগ্রহণ করেন। এ আড্ডাতেই দেশের অস্থিরতার পরিকল্পনা তৈরি হয়।

শেখ হাসিনার অনলাইন বৈঠক:
কলকাতায় ব্যবসায়ী কার্যালয় থেকে নেতারা অনলাইনে শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে নির্দেশনা দেওয়া হয় যা জেলা ও উপজেলা নেতাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়।

সামনে বড় অস্থিরতার শঙ্কা:
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, এই নীলনকশা বাস্তবায়িত হলে দেশের বিভিন্ন স্থানে বড় ধরনের অস্থিরতা সৃষ্টি হতে পারে। তাই সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।