tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদসর্বশেষ সংবাদঅর্থনীতিবাজার মূলধন বাড়ল প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা, ঊর্ধ্বমুখী ডিএসইর সূচক

বাজার মূলধন বাড়ল প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা, ঊর্ধ্বমুখী ডিএসইর সূচক

গত সপ্তাহে দেশের শেয়ারবাজারে পাঁচ কার্যদিবসের লেনদেনের মধ্যে তিন দিনই ছিল ঊর্ধ্বমুখী। ফলে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে, যার প্রভাবে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বাজার মূলধন প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সঙ্গে প্রধান মূল্যসূচকসহ অন্যান্য সূচকেও ইতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে।

সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ২৬৪টির শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। বিপরীতে ৩৫টির দাম কমেছে এবং ৮৯টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস শেষে ডিএসইর মোট বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ ৫ হাজার ১৩৩ কোটি টাকা, যা আগের সপ্তাহের শেষে ছিল ৭ লাখ ১ হাজার ২৭০ কোটি টাকা। অর্থাৎ এক সপ্তাহের ব্যবধানে বাজার মূলধন বেড়েছে ৩ হাজার ৯৬৩ কোটি টাকা।

বাজার মূলধনের পাশাপাশি মূল্যসূচকেও উল্লেখযোগ্য উত্থান হয়েছে। ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স (DSEX) সপ্তাহজুড়ে ৯১ দশমিক ২৮ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৫৭ শতাংশ বেড়েছে। উল্লেখ্য, এর আগের সপ্তাহে সূচকটি ৯৬ দশমিক ০৬ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৬৩ শতাংশ কমেছিল।

অন্যদিকে, ইসলামি শরিয়াহভিত্তিক কোম্পানিগুলোর সমন্বয়ে গঠিত ডিএসই শরিয়াহ সূচক (DSES) গত সপ্তাহে ১২ দশমিক ১৮ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ০৩ শতাংশ বেড়েছে। আগের সপ্তাহে সূচকটি ২৩ দশমিক ৮০ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৯৭ শতাংশ হ্রাস পেয়েছিল।

এ ছাড়া, বাছাইকৃত ব্লু-চিপ কোম্পানিগুলো নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচকও ইতিবাচক অবস্থানে ছিল। সপ্তাহজুড়ে সূচকটি ২৪ দশমিক ৫০ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ১২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এর আগের সপ্তাহে সূচকটি ৩৪ দশমিক ৯১ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৫৭ শতাংশ কমেছিল।

তবে সূচক ও বাজার মূলধন বাড়লেও লেনদেনের গতি কিছুটা কমেছে। গত সপ্তাহে ডিএসইতে প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৫৯ কোটি ৯২ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে দৈনিক গড় লেনদেন ছিল ১ হাজার ৬৩ কোটি ২৬ লাখ টাকা। সে হিসাবে প্রতি কার্যদিবসে গড় লেনদেন কমেছে ৩ কোটি ৩৪ লাখ টাকা, যা শতাংশের হিসাবে প্রায় ০ দশমিক ৩১ শতাংশ।