tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদজাতীয়খেলাধুলায় বাড়বে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ, কমবে মাদক ও মোবাইল আসক্তি: প্রধানমন্ত্রী

খেলাধুলায় বাড়বে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ, কমবে মাদক ও মোবাইল আসক্তি: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে বিনিয়োগই জাতি গঠনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। একটি দক্ষ, আত্মবিশ্বাসী ও মানবিক প্রজন্ম গড়ে তুলতে পাঠ্যবইভিত্তিক শিক্ষার পাশাপাশি খেলাধুলা, সংস্কৃতি ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে সমান গুরুত্ব দিতে হবে।

শনিবার (২০ জুন) অনুষ্ঠিতব্য ‘প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক-বালিকা) ২০২৬’ উপলক্ষে শুক্রবার (১৯ জুন) দেওয়া এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন একটি ইতিবাচক ও সময়োপযোগী উদ্যোগ। সরকার ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ শীর্ষক নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে শিক্ষাব্যবস্থাকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করতে কাজ করছে। এরই ধারাবাহিকতায় জাতীয় শিক্ষাক্রমে খেলাধুলা অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, চতুর্থ শ্রেণি থেকে উচ্চমাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে ফুটবল, ক্রিকেট, দাবা, কারাতে ও সাঁতারকে পাঠ্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। শুধু তাত্ত্বিক নয়, ব্যবহারিক ক্লাস ও মূল্যায়নের মাধ্যমেও শিক্ষার্থীদের ক্রীড়া কার্যক্রমে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হবে।

তারেক রহমান বলেন, খেলাধুলার সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ততা বাড়লে মাদকাসক্তি ও মোবাইল ফোনে অতিরিক্ত নির্ভরতার মতো সামাজিক সমস্যাগুলো মোকাবিলা করা সহজ হবে।

তিনি আরও জানান, সরকার ইতোমধ্যে ‘প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক-বালিকা) ২০২৬’-এর নীতিমালা প্রণয়ন করেছে। এর আওতায় দেশের ৬৫ হাজার ৫৬৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ৯৯ লাখ ৪৯ হাজার শিক্ষার্থী—বালক ও বালিকা উভয়ই—টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, টুর্নামেন্টে ছেলে ও মেয়েদের সমান অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়েছে। চলতি বছর সারা দেশে বালক ও বালিকা দল মিলিয়ে মোট ১ লাখ ২৩ হাজার ৯৭৪টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। অংশগ্রহণকারী ও ম্যাচসংখ্যার দিক থেকে এটি বিশ্বের বৃহত্তম ফুটবল টুর্নামেন্টগুলোর একটি।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার শিক্ষার্থীদের শারীরিক, মানসিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশে লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করছে। এর ইতিবাচক প্রভাব জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের ক্রীড়াক্ষেত্রের সাফল্যে প্রতিফলিত হচ্ছে।

বাণীর শেষে প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করে বলেন, এই টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরাই ভবিষ্যতে দেশের উজ্জ্বল প্রতিনিধি হয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের সুনাম আরও বৃদ্ধি করবে। তিনি টুর্নামেন্টের সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।