দেশে নিবন্ধিত মোবাইল সিমের সংখ্যা ৩২ কোটি ৮২ লাখ বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনি-এর প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
মন্ত্রী জানান, দেশে বর্তমানে চারটি মোবাইল অপারেটর রয়েছে— টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড, গ্রামীণফোন লিমিটেড, রবি আজিয়াটা পিএলসি এবং বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশনস লিমিটেড। এসব অপারেটরের বৈধ নিবন্ধিত সিমের মোট সংখ্যা ৩২ কোটি ৮২ লাখ।
রংপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. মাহবুবুর রহমান বেলাল-এর প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ডাক বিভাগের সেবা সম্প্রসারণে বেসরকারি উদ্যোক্তাদের মাধ্যমে ফ্র্যাঞ্চাইজি পোস্ট অফিস ও পোস্ট পিকআপ পয়েন্ট স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ জন্য উপযুক্ত স্থান নির্ধারণের কাজ চলছে।
তিনি আরও জানান, ই-কমার্স ও এফ-কমার্স খাতকে সহায়তার জন্য দেশের বিভিন্ন স্থানে ১৪টি ফুলফিলমেন্ট সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রের মাধ্যমে পণ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াজাতকরণ, বুকিং, সর্টিং, পরিবহন ও বিতরণ কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
নরসিংদী-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. আশরাফ উদ্দিন-এর লিখিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, সরকারের ভেঞ্চার ক্যাপিটাল প্রতিষ্ঠান স্টার্টআপ বাংলাদেশ-এর মাধ্যমে এখন পর্যন্ত ৫৫টি স্টার্টআপ বিনিয়োগের জন্য অনুমোদন পেয়েছে। এর মধ্যে যাচাই-বাছাই ও শর্ত নিয়ে মতানৈক্যের কারণে ১৯টির বিনিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিল করা হয়েছে। চূড়ান্তভাবে ৩৬টি প্রযুক্তিনির্ভর স্টার্টআপে প্রায় ১০৯ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে।
বিনিয়োগপ্রাপ্ত উল্লেখযোগ্য প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে চালডাল লিমিটেড, টেন মিনিট স্কুল, সেবা প্ল্যাটফর্ম লিমিটেড এবং ট্যুর বুকিং বাংলাদেশ লিমিটেড।
নওগাঁ-৫ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদুল ইসলাম ধলু-এর প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, দেশে ইতোমধ্যে ফোরজি প্রযুক্তি সারা দেশে চালু হয়েছে। ফাইভজি সম্প্রসারণে সরকার কাজ করছে। বর্তমানে ঢাকা শহরের বিমানবন্দর, রেলস্টেশন ও গুরুত্বপূর্ণ আবাসিক-বাণিজ্যিক এলাকাসহ প্রায় ৪০টি পয়েন্টে এবং ঢাকার বাইরে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাজশাহী, রংপুর, বরিশাল, খুলনা ও সিলেটসহ বিভাগীয় শহরে প্রায় ৪০০টির বেশি স্থানে সীমিত পরিসরে ফাইভজি সেবা চালু রয়েছে।



