tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদআন্তর্জাতিকইরান চুক্তিতে না আসার কারণ ‘অহংকার’, দাবি ট্রাম্পের

ইরান চুক্তিতে না আসার কারণ ‘অহংকার’, দাবি ট্রাম্পের

ইরানের নেতৃত্ব অত্যন্ত ‘শক্তিশালী’ ও ‘অহংকারী’ হওয়ায় দেশটি এখনো যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো সমঝোতা চুক্তিতে পৌঁছাতে রাজি হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে শেষ পর্যন্ত তেহরানকে আলোচনার টেবিলে ফিরতেই হবে বলেও দাবি করেন তিনি।

শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের উইসকনসিন অঙ্গরাজ্যের চিপেওয়া ফলসে এনবিসি নিউজের ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানের সঞ্চালক ক্রিস্টেন ওয়েলকারের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ইরানের সামনে চুক্তি ছাড়া কার্যত অন্য কোনো পথ খোলা নেই।

ট্রাম্পের ভাষায়, “তারা শক্তিশালী, তারা অহংকারী। এমন কিছু বিষয় আছে, যা তারা আগে কখনো মেনে নেবে বলে ভাবেনি। কিন্তু এখন তাদের তা করতে হবে। তাদের সামনে কোনো বিকল্প নেই, যদিও পুরো প্রক্রিয়াটি কিছুটা সময়সাপেক্ষ।”

যারা দ্রুত ইরানের সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছানোর জন্য চাপ দিচ্ছেন, তাদেরও সমালোচনা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, এ ধরনের আন্তর্জাতিক চুক্তি ও কূটনৈতিক সমাধান বাস্তবায়নে দীর্ঘ সময় লাগে।

সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প আরও দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানে ইরানের সামরিক সক্ষমতা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাঁর মতে, দেশটির অধিকাংশ ড্রোন উৎপাদন কারখানা, ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র এবং অস্ত্র তৈরির অবকাঠামো ধ্বংস করা হয়েছে।

তবে তিনি স্বীকার করেন, ইরানের হাতে এখনো কিছু ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন রয়েছে। ট্রাম্পের দাবি, ইরানের মোট ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতার প্রায় ২১ থেকে ২২ শতাংশ এখনো অবশিষ্ট আছে। যদিও তাঁর মতে, যুদ্ধের শুরুতে যে সামরিক শক্তি ছিল, তার তুলনায় বর্তমান সক্ষমতা অনেক কম।

এদিকে ট্রাম্প ইঙ্গিত দেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত নৌ অবরোধ আগামী সেপ্টেম্বরের শ্রম দিবসের পর দীর্ঘ সময় বহাল নাও থাকতে পারে।

চলতি সপ্তাহে পারস্য উপসাগর অঞ্চলে ধারাবাহিক হামলার মাধ্যমে ইরান তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতার উপস্থিতি দেখিয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তাঁর দাবি, এসব হামলার মধ্যে কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর লক্ষ্য করেও আঘাত হানা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ডোনাল্ড ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরেই ইরানের কঠোর সমালোচক। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে তিনি এবং তাঁর প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা দাবি করে আসছেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক পদক্ষেপ ছিল প্রয়োজনীয়। তাদের মতে, তেহরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা অর্জন থেকে বিরত রাখতেই এসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।