tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদসর্বশেষ সংবাদঅর্থনীতিচাইলেই মেলে আমদানি-রপ্তানি সনদ, তবু বিশাল দপ্তর-জনবল

চাইলেই মেলে আমদানি-রপ্তানি সনদ, তবু বিশাল দপ্তর-জনবল

প্রতিষ্ঠানটির মোটাদাগে একটিই কাজ—সেটি হলো আমদানি ও রপ্তানির সনদ দেওয়া। সেই সনদও চাইলেই মেলে। অথচ এটুকু কাজের জন্য ওই সরকারি প্রতিষ্ঠানের ঢাকায় রয়েছে করপোরেট আঙ্গিকে বিলাসবহুল প্রধান কার্যালয়। এছাড়া ঢাকায় আরেকটি বিভাগীয় দপ্তরসহ আট বিভাগে রয়েছে আটটি দপ্তর। শুধু তাই-ই নয়, দেশের ছয়টি জেলায়ও রয়েছে আঞ্চলিক দপ্তর।

ওই এক কাজের জন্য সরকারি প্রতিষ্ঠানটির অনুমোদিত পদ রয়েছে ২৭৬টি। এখন কাজ করছেন দেড় শতাধিক জনবল। রয়েছেন সরকারি উচ্চপর্যায়ের বড় বড় কর্মকর্তা, যাদের মধ্যে কেউ কেউ সর্বোচ্চ গ্রেডেরও। যাদের রয়েছে বিলাসবহুল বাড়ি-গাড়ির বহরও।বলা হচ্ছে, আমদানি ও রপ্তানি প্রধান নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠানের (সিসিআইঅ্যান্ডই) কথা। আমদানি ও রপ্তানি প্রধান নিয়ন্ত্রকের এই দপ্তর বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন। প্রতিষ্ঠার শুরুতে বহুমাত্রিক কার্যক্রম থাকলেও এখন রাষ্ট্রায়ত্ত অন্য অনেক প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠায় দপ্তরটির কর্মপরিধি অনেকটা কমে গেছে। গত কয়েক দশকে নানান কর্ম অন্য বিভিন্ন দপ্তরে বণ্টনের ফলে এখন মূলত আমদানি-রপ্তানি সনদ দেওয়া ও বছর বছর সেটি নবায়ন করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে সিসিআইঅ্যান্ডই।

তথ্য বলছে, আমদানি ও রপ্তানি প্রধান নিয়ন্ত্রকের দপ্তরটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৫০ সালে। স্বাধীনতা পরবর্তী ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠানটি পুনর্গঠন করা হয়েছিল। সে সময় নতুন দেশে পণ্য আমদানি সহজ করতে ও সেজন্য প্রয়োজনীয় লাইসেন্সিং ব্যবস্থা সহজীকরণ করার পাশাপাশি রপ্তানি উন্নয়নমুখী করতে প্রতিষ্ঠানটির বড় ভূমিকা ছিল। যোগাযোগ ছিল বিভিন্ন দেশের সঙ্গেও। এখন যেমন বড় বড় কার্যক্রম আরেক রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) করে।