tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদজাতীয়শিগগিরই জ্বালানির মূল্য সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে: অর্থমন্ত্রী

শিগগিরই জ্বালানির মূল্য সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে: অর্থমন্ত্রী

উচ্চমূল্যে জ্বালানি আমদানির ফলে সরকারি তহবিলে বাড়তি চাপ সৃষ্টি হওয়ায় দেশের স্বার্থে শিগগিরই জ্বালানির মূল্য সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তবে তিনি উল্লেখ করেন, অনেক দেশের তুলনায় বাংলাদেশ এখনও জ্বালানির দাম বাড়ায়নি।

শুক্রবার বিকেলে চট্টগ্রামের আনোয়ারার কোরিয়ান ইপিজেডে এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক সংকট ও মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। ফলে সরকারকে তুলনামূলক বেশি দামে বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি আমদানি করতে হচ্ছে, যা সরকারি তহবিলে অতিরিক্ত চাপ তৈরি করছে।

তিনি আরও বলেন, “উচ্চমূল্যে জ্বালানি আমদানি অব্যাহত থাকলে উন্নয়ন কার্যক্রম ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি ব্যাহত হতে পারে। তাই দেশের স্বার্থে এক পর্যায়ে মূল্য সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নিতে হবে।”

জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে সরকার ইতিমধ্যে রেশনিং পদ্ধতি চালু করেছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, মন্ত্রী, সংসদ সদস্য এবং সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য জ্বালানি ব্যবহারে নির্দিষ্ট সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।

তিনি জানান, তার নিজের ক্ষেত্রেও ৩০ শতাংশ জ্বালানি রেশনিং করা হয়েছে। তবে বর্তমানে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন। শিল্পকারখানা, পরিবহন ও কৃষি খাত সচল রাখতে সরকার সক্ষম হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

পুঁজিবাজার প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, খুব শিগগিরই বড় ধরনের সংস্কার আনা হবে। এতে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরে আসবে এবং বড় বিনিয়োগে ব্যাংকিং খাতের ওপর চাপ না বাড়িয়ে পুঁজিবাজার থেকেই অর্থায়ন সম্ভব হবে।

রপ্তানি আয় কমলেও রেমিট্যান্স বৃদ্ধি এবং তৈরি পোশাক খাতের পুনরুদ্ধার নিয়ে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।