tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদজাতীয়স্বপ্ন সুপারশপের গ্রাহক ডেটাবেজ হ্যাক

স্বপ্ন সুপারশপের গ্রাহক ডেটাবেজ হ্যাক

দেশের জনপ্রিয় সুপারশপ চেইন ‘স্বপ্ন’-এর গ্রাহক ডেটাবেজ হ্যাক হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় হ্যাকাররা প্রতিষ্ঠানটির কাছে ১৫ লাখ মার্কিন ডলার (প্রায় ১৮ কোটি টাকা) মুক্তিপণ দাবি করেছে।

জানা গেছে, গত ডিসেম্বরে হ্যাকাররা স্বপ্নের ডেটাবেজের নিয়ন্ত্রণ নেয়। তবে প্রায় তিন মাস পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গ্রাহকদের ব্যক্তিগত ও কেনাকাটার তথ্য ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি সামনে আসে।

শনিবার (২৮ মার্চ) স্বপ্নের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাব্বির হাসান নাসির দ্য ডেইলি স্টারকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, “গত ডিসেম্বরে হ্যাকাররা আমাদের ডেটাবেজের নিয়ন্ত্রণ নেয়। পুনরায় অ্যাক্সেস ফিরে পেতে তারা ১৫ লাখ ডলার দাবি করে।”

বর্তমানে দেশের ৬৩টি জেলায় স্বপ্নের ৮১২টি আউটলেট রয়েছে এবং নিবন্ধিত গ্রাহক সংখ্যা ৪০ লাখের বেশি। হ্যাক হওয়া তথ্যে গ্রাহকদের নাম, মোবাইল নম্বর এবং কেনাকাটার বিস্তারিত তথ্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তবে ঠিক কতজন গ্রাহকের তথ্য ফাঁস হয়েছে, তা এখনও নিশ্চিত নয়।

সাব্বির হাসান নাসির জানান, এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। এসিআই লিমিটেডের সহযোগী এই প্রতিষ্ঠান দেশি-বিদেশি ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ এবং পুলিশের সিটিটিসি ইউনিটের সঙ্গে যৌথভাবে তদন্ত চালাচ্ছে।

স্বপ্ন কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, ইতোমধ্যে সিস্টেমের নিরাপত্তা জোরদারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে গ্রাহকদের জন্য এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক সতর্কবার্তা প্রকাশ করা হয়নি।

এদিকে একাধিক গ্রাহক জানিয়েছেন, ফাঁস হওয়া ডেটাবেজে ফোন নম্বর ব্যবহার করে সহজেই ব্যক্তিগত তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। এতে নাম, কেনাকাটার ইতিহাস ও লেনদেনের বিস্তারিত উঠে আসছে, যা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

হ্যাকিংয়ের ঘটনা তিন মাস আগে ঘটলেও দেরিতে বিষয়টি প্রকাশ পাওয়ায় প্রশ্ন উঠেছে। এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের দাবি, তারা সম্প্রতি ঘটনাটি শনাক্ত করতে সক্ষম হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই হ্যাকিংয়ের ঘটনায় কোনো আপস করা হবে না। হ্যাকারদের দাবি প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে এবং আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।