ইরানের খার্গ দ্বীপে তেলকেন্দ্র লক্ষ্য করে মার্কিন হামলার কয়েক ঘন্টার মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনায় আগুন লেগেছে। ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, উপকূলীয় শহর ফুজাইরাহ থেকে কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী উঠে আসছে। এই শহরে একটি বড় বন্দর এবং আঞ্চলিক তেল রপ্তানি টার্মিনাল রয়েছে, যা তেল বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, একটি ড্রোন ধ্বংস হওয়ার পর এর অবশিষ্টাংশ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। তবে সুনির্দিষ্ট অবস্থান প্রকাশ করা হয়নি। সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইরানের ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন মোকাবিলা করছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, মার্কিন বাহিনী খার্গ দ্বীপে বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে বোমা হামলা চালিয়েছে। খার্গ দ্বীপ ইরানের তেল শিল্পের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, এবং দেশের প্রায় পুরো অপরিশোধিত তেল রপ্তানির ব্যবস্থাপনা এই দ্বীপের ওপর নির্ভরশীল। ট্রাম্প সতর্ক করেছেন যে দ্বীপটির তেল অবকাঠামোকেও লক্ষ্যবস্তু করা হতে পারে।
২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে ইরানের সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পর জ্বালানি অবকাঠামো বড় লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। এর আগে ইসরাইল তেহরানের তেল ডিপোগুলোতে হামলা চালায়। পাল্টা জবাবে ইরান কুয়েত থেকে ওমান পর্যন্ত উপসাগরীয় অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ তেল ও গ্যাস স্থাপনায় আঘাত হানেছে। উল্লেখযোগ্য স্থাপনাগুলোর মধ্যে রয়েছে সৌদি আরবের রাস তানুরা রিফাইনারি, কাতারের রাস লাফান গ্যাস প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র, এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের রুওয়াইস রিফাইনারি সংবলিত কমপ্লেক্স।



