tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদআন্তর্জাতিকভারি ‘পেলোড ক্ষেপণাস্ত্র’ ব্যবহারের হুমকি ইরানের

ভারি ‘পেলোড ক্ষেপণাস্ত্র’ ব্যবহারের হুমকি ইরানের

ইরান জানিয়েছে, তারা এবার থেকে ১ হাজার কেজি বা তার বেশি ওজনের বিস্ফোরকবাহী (পেলোড) ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করবে। এর আগে দেশটি এক হাজার কেজির কম ওজনের বোমাবাহী ক্ষেপণাস্ত্রই সীমাবদ্ধ ছিল।

রেভল্যুশনারি গার্ডসের (আইআরজিসি) শীর্ষ কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মজিদ মৌসাভি রবিবার এই ঘোষণা দেন। তাঁর কথায়, নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতিটি ক্ষেপণাস্ত্রের বিস্ফোরণ এলাকা, পাল্লা এবং ধ্বংসক্ষমতা দ্বিগুণেরও বেশি হবে।

মৌসাভি লেবাননের আল মায়াদিনকে জানান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক ঘাঁটি, দুবাই বিমানবন্দর এবং সৌদি আরবের রাস তানুকা তেল শোধনাগারের মতো আঞ্চলিক লক্ষ্যবস্তুকে আঘাত করার তীব্রতা ও পরিধি বাড়ানো হবে।

সামরিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি ইরানের নতুন যুদ্ধকৌশল হতে পারে। আগে তারা শাহেদ ড্রোন ব্যবহার করে শত্রুর আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যস্ত রাখত। এখন তারা তুলনামূলক কম সংখ্যায়, কিন্তু অত্যন্ত দ্রুতগতির এবং প্রতিহত করা কঠিন ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করতে যাচ্ছে, যা নিরাপদ লক্ষ্যবস্তুতে ব্যাপক ধ্বংস করতে সক্ষম।

ভূ-রাজনৈতিক বিশ্লেষক শানাকা আনসেলম পেরেরা এক্স-এ লিখেছেন, ভারি বিস্ফোরকবাহী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের মাধ্যমে ইরান আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সমীকরণ নতুন করে লিখছে। ওয়াশিংটনভিত্তিক ‘সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ’-এর মতে, মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের কাছে সবচেয়ে বড় ও বৈচিত্র্যময় ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার রয়েছে।

এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য:

  • পারমাণবিক সক্ষমতাসম্পন্ন ৩ হাজার কিলোমিটার পাল্লার ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ‘সুমার’
  • ২ হাজার কিলোমিটার পাল্লার ‘সেজিল’
  • উত্তর কোরিয়ার প্রযুক্তিতে তৈরি ‘খোররামশহর’, যা ১,৮০০ কেজি পর্যন্ত বিস্ফোরক বহন করতে সক্ষম