tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদআন্তর্জাতিকইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু মারা গেছেন?

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু মারা গেছেন?

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু নিহত হয়েছেন—এমন দাবি করেছে ইরানের আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ। একই হামলায় আহত হয়েছেন ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ও নেতানিয়াহুর ভাই, ইতামার বেনগিভর, এমনও বলা হয়েছে প্রতিবেদনে।

তাসনিম নিউজের প্রতিবেদনে মূলত একটি এক্স (সাবেক টুইটার) পোস্টের উল্লেখ করা হয়েছে, যা মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা স্কট রিটারের একাউন্ট থেকে করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়। ওই পোস্টে বলা হয়, ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র নেতানিয়াহুর সরকারি বাসভবনে আঘাত হানার পর ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। হামলার সময় বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন ইতামার বেনগিভর, যিনি আহত হয়েছেন। তবে, সেই একাউন্টটি সত্যিই স্কট রিটারের কি না তা এখনো নিশ্চিত করা যায়নি।

ইরানি প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, শেষ কয়েক দিনের মধ্যে নেতানিয়াহুর কোনো নতুন ভিডিও বার্তা প্রকাশিত হয়নি। জেরুজালেমে তার বাসভবনের নিরাপত্তা অস্বাভাবিকভাবে জোরদার করা হয়েছে। একই সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সহযোগী জ্যারেড কুশনার এবং মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের নির্ধারিত ইসরায়েল সফর স্থগিত হওয়ায় নেতানিয়াহুর মৃত্যুর শঙ্কা আরও বেড়েছে।

সংবাদমাধ্যম মেহের নিউজ জানায়, তিন দিন পার হলেও নেতানিয়াহু তার ব্যক্তিগত চ্যানেলে কোনো ভিডিও পোস্ট করেননি। এছাড়া প্রায় চার দিন ধরে তার শেষ ছবি প্রকাশিত হয়নি। এর আগে সাধারণত তার চ্যানেল থেকে প্রতিদিন অন্তত একটি এবং কখনও কখনও তিনটি পর্যন্ত ভিডিও প্রকাশ হতো। এই দীর্ঘ বিরতি নতুন গুজবকে আরও ঘনীভূত করেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরান ও ইসরায়েলের চলমান সরাসরি সংঘাতের মধ্যে এমন গুজব ছড়িয়ে দেওয়াকে মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধের অংশ হিসেবে দেখা যেতে পারে। অন্যদিকে, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁরের সঙ্গে নেতানিয়াহুর ফোনালাপের বিবৃতি প্রকাশ হলেও কথোপকথনের তারিখ উল্লেখ না থাকায় পরিস্থিতি আরও অনিশ্চিত হয়ে উঠেছে।

এদিকে, ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি। দপ্তরের নথি অনুযায়ী, নেতানিয়াহুর নামে সর্বশেষ বিবৃতি প্রকাশিত হয়েছিল গত ৭ মার্চ। সেদিন তিনি ইসরাইলের বিরশেবা এলাকায় ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় আহতদের দেখতে গিয়েছিলেন।