tanaka

দুই জেলায় নতুন পুলিশ সুপার

চুয়াডাঙ্গা ও বাগেরহাটের দুই পুলিশ সুপারকে বদলি করা হয়েছে। সেখানে নতুন পুলিশ সুপার হিসেবে দুই কর্মকর্তাকে পদায়ন করা হয়েছে। সোমবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসচিব তৌছিফ...
প্রচ্ছদআন্তর্জাতিকইরান–ইসরায়েল সীমান্তে ‘হাই অ্যালার্ট’

ইরান–ইসরায়েল সীমান্তে ‘হাই অ্যালার্ট’

যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য যেকোনো সামরিক হামলার আশঙ্কায় ইরানের সশস্ত্র বাহিনী এখন সর্বোচ্চ প্রতিরক্ষামূলক প্রস্তুত অবস্থায় রয়েছে বলে জানিয়েছে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। একই সঙ্গে ইরানে মার্কিন হামলার আশঙ্কায় দখলদার ইসরায়েলও তাদের সামরিক বাহিনীকে উচ্চ সতর্কতায় রেখেছে।

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) আল জাজিরা ও টিআরটি ওয়ার্ল্ডের প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়।

আইআরজিসির বিমান বাহিনীর কমান্ডার সারদার মুসাভি বলেন, ১২ দিনের যুদ্ধের আগের সময়ের তুলনায় বর্তমানে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র মজুত আরও বেড়েছে। সে সময়ের ক্ষয়ক্ষতি সম্পূর্ণভাবে কাটিয়ে ওঠা হয়েছে। ফলে বাহিনী এখন সর্বোচ্চ প্রস্তুত অবস্থায় রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে কঠোর ও কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তুলতে ইরান সম্পূর্ণ প্রস্তুত।

অন্যদিকে টিআরটি ওয়ার্ল্ডের বরাতে জানা গেছে, ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থাগুলো এখন আর যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা চালাবে কি না—সে প্রশ্নে আটকে নেই। বরং তাদের মূল্যায়ন হলো, সেই হামলা কবে শুরু হবে, সেটাই এখন মূল বিষয়। তাদের ধারণা অনুযায়ী, মার্কিন যুদ্ধবিমান যে কোনো সময় ইরানে আঘাত হানতে পারে।

ইসরায়েলি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সম্ভাব্য হামলার আগে যুক্তরাষ্ট্র তাদের আগাম অবহিত করবে বলে তারা বিশ্বাস করেন। কারণ ইরানের পাল্টা প্রতিক্রিয়া মোকাবিলায় ইসরায়েলকে দ্রুত প্রস্তুতি নিতে হবে। এ প্রেক্ষাপটে দেশটি তাদের সব সশস্ত্র বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রেখেছে। বিশেষ করে বিমানবাহিনী ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পুরোপুরি সক্রিয় করা হয়েছে।

ইসরায়েলি আর্মি রেডিওকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সামরিক করেসপন্ডেন্ট ড্যারন কাদোস বলেন, শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের মূল্যায়নে যুক্তরাষ্ট্র যে কোনো সময় ইরানে হামলা শুরু করতে পারে।

তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানে হামলা চালায়, তবে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে এবং ইসরায়েলে অবস্থিত মার্কিন লক্ষ্যবস্তুতে পাল্টা হামলার নির্দেশ দিতে পারেন।

ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের ধারণা, এ ধরনের পাল্টা প্রতিক্রিয়ার অংশ হিসেবে লেবানন থেকে হিজবুল্লাহ, ইয়েমেন থেকে হুতি বিদ্রোহী গোষ্ঠী এবং সিরিয়া ও ইরাক থেকেও সমন্বিত হামলা হতে পারে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি সামরিক অভিযানের পাশাপাশি সাইবার হামলা চালাতে পারে এবং বিভিন্ন দেশে অবস্থিত ইরানি অবকাঠামোকেও লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করতে পারে।