tanaka

দুর্গাপুর পৌরসভায় মেয়র হিসেবে স্বপনকে চায় তৃণমূল, ক্লিন ইমেজে ভরসা ভোটারদের

আসন্ন দুর্গাপুর পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে তৃণমূলের আলোচনায় উঠে এসেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) দুর্গাপুর পৌর শাখার সদস্য সচিব ও দুর্গাপুর উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক...
প্রচ্ছদজাতীয়২৭ হাজার টনের বেশি ডিজেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজ

২৭ হাজার টনের বেশি ডিজেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজ

সিঙ্গাপুর থেকে ২৭ হাজার ৩০০ টন ডিজেল নিয়ে ‘এমটি ইউয়ান জিং হে’ নামের একটি তেলবাহী জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর এটি বন্দরে ডিজেল নিয়ে আসা নবম জাহাজ। একই সময়ে বন্দরের জলসীমায় একটি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) ও একটি তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) বহনকারী জাহাজও অবস্থান করছে। এছাড়া মালয়েশিয়া থেকে আরও ৩৪ হাজার টন ডিজেল নিয়ে আরেকটি জাহাজ রাতেই বন্দরে ভিড়বে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

শুক্রবার দুপুর ২টার দিকে ‘ইউয়ান জিং হে’ জাহাজটি ডলফিন জেটি-৬-এ বার্থিং করে। বর্তমানে পদ্মা অয়েল কোম্পানির জেটিতে এর খালাস কার্যক্রম চলছে। পদ্মা অয়েলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মফিজুর রহমান জানান, রাতেই মালয়েশিয়া থেকে আরও একটি জাহাজ ৩৪ হাজার টন ডিজেল নিয়ে পৌঁছাবে।

এদিকে, এলএনজি ও এলপিজি বহনকারী জাহাজ দুটি খালাসের প্রস্তুতিতে প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা দ্রুত সম্পন্ন করা হচ্ছে। বন্দর এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং কারিগরি প্রস্তুতিও সম্পন্ন হয়েছে। পাশাপাশি, ইউনাইটেড শিপিং এজেন্সির ‘গ্যাস জার্নি’ নামের একটি এলপিজিবাহী জাহাজ ৪ এপ্রিল চীন থেকে চট্টগ্রামে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, জাহাজ থেকে নমুনা সংগ্রহ করে ল্যাব পরীক্ষার পরপরই খালাস কার্যক্রম শুরু করা হবে। দ্রুত খালাস নিশ্চিত করতে বন্দর কর্তৃপক্ষ ও বিপিসি সমন্বিতভাবে কাজ করছে।

বন্দর সূত্রে জানা গেছে, গত মার্চ মাসে বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি নিয়ে মোট ৩৩টি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়েছিল। এর মধ্যে ১৫টি জাহাজ জ্বালানি তেল, ৮টি এলএনজি এবং ৯টি এলপিজি বহন করে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (হারবার ও মেরিন) কমোডর আহমেদ আমিন আব্দুল্লাহ জানান, ‘ইউয়ান জিং হে’ জাহাজটি ভোরে বহির্নোঙরে পৌঁছায় এবং অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বার্থিং দেওয়া হয়েছে। এছাড়া রাতে ‘শান গ্যাং ফা জিয়ান’ নামের আরও একটি জাহাজ ৩৪ হাজার টন জ্বালানি তেল নিয়ে বন্দরে আসার কথা রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে জ্বালানি সরবরাহে চাপ মোকাবেলায় মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে বিকল্প উৎস থেকেও আমদানি বাড়ানো হয়েছে। দেশের জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের আমদানি কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।