tanaka

মেরুল বাড্ডায় রাজউকের দেড় হাজার কোটি টাকার জমি ২১ বছর ধরে দখলে

রাজধানীর মেরুল বাড্ডায় রাজউকের প্রায় ১১ একর জমি দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে দখলে রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। জমিটির বাজারমূল্য প্রায় ১ হাজার ৬৫০ কোটি টাকা। একই জমিকে ঘিরে প্রায় ছয় হাজার মানুষের কাছ থেকে ৩০০ কোটি টাকা নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।
প্রচ্ছদরাজনীতিহাদির কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান

হাদির কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ইনকিলাব মঞ্চের সাবেক মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদির কবর জিয়ারত করেছেন। শনিবার (২৬ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে হাদির কবর জিয়ারত করেন।

এদিন রাজধানীতে তারেক রহমানের আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি রয়েছে। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার লক্ষ্যে তিনি ভোটার তালিকায় নিজের নাম অন্তর্ভুক্ত করবেন। একই সঙ্গে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কার্যক্রমও সম্পন্ন করবেন। গত সোমবার (২২ ডিসেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দীনের সঙ্গে বৈঠকের পর বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ এসব তথ্য জানান।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান বলেন, শনিবার বেলা ১১টায় শহীদ শরিফ ওসমান হাদির কবর জিয়ারত শেষে তারেক রহমান নির্বাচন কমিশনে যাবেন। তবে কোন কেন্দ্র থেকে তিনি ভোটার হবেন, তা এখনো দলীয়ভাবে চূড়ান্ত হয়নি। দলীয় সূত্র জানায়, তিনি সম্ভবত ঢাকার কোনো একটি কেন্দ্রে ভোটার হবেন।

নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছে। তবে ভোটার তালিকা আইন অনুযায়ী, যে কোনো সময় যোগ্য ব্যক্তির নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার ক্ষমতা কমিশনের রয়েছে। উল্লেখ্য, ২০০৮ সালে এক-এগারো তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় প্রথম ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রণয়ন করা হয়। সে সময় চিকিৎসার জন্য ২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর তারেক রহমান সপরিবারে লন্ডনে যান। বিদেশে অবস্থানের কারণে তিনি তখন ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হতে পারেননি। পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দেশে না ফেরায় তিনি ভোটার হিসেবেও নিবন্ধিত হননি।

এরই মধ্যে বিএনপি ঘোষণা দিয়েছে, তারেক রহমান পৈতৃক এলাকা বগুড়া-৬ (সদর) আসন থেকে সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। স্থানীয় নেতারা তার পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহও করেছেন। তবে তিনি আরও কোনো আসন থেকে প্রার্থী হবেন কি না, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। আলোচনা রয়েছে, তিনি ঢাকার একটি আসন থেকেও প্রার্থী হতে পারেন। সম্ভাব্য সেই আসনটি হতে পারে গুলশান, বনানী ও ক্যান্টনমেন্ট এলাকা নিয়ে গঠিত ঢাকা-১৭। যদিও জাতীয় পার্টি-বিজেপির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থের জন্য বিএনপি আসনটি ছেড়ে দিতে পারে—এমন কথাও রাজনৈতিক অঙ্গনে শোনা যাচ্ছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৯ ডিসেম্বর। পাশাপাশি, নির্বাচন কমিশনের সাম্প্রতিক নির্দেশনা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি একসঙ্গে তিনটির বেশি নির্বাচনী এলাকায় প্রার্থী হতে পারবেন না।