tanaka

তিনবেলা খাবার জুটত না, এখন শাহরুখ সেজে আয় ৫ লাখ রুপি!

একসময় সাইনবোর্ড আঁকাই ছিল জীবিকা নির্বাহের প্রধান অবলম্বন। অনিয়মিত আয়ের কারণে সংসার চালানোও ছিল কঠিন। কিন্তু চেহারায় বলিউড তারকা শাহরুখ খানের সঙ্গে অদ্ভুত মিলই...
প্রচ্ছদআন্তর্জাতিকহরমুজ প্রণালি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে হুঁশিয়ারি দিলেন মোজতবা খামেনি

হরমুজ প্রণালি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে হুঁশিয়ারি দিলেন মোজতবা খামেনি

ইরানের সঙ্গে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘাতের প্রেক্ষাপটে পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালিতে একটি নতুন বাস্তবতা তৈরি হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। একই সঙ্গে তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করে বলেছেন, তেহরান এই কৌশলগত নৌপথে শত্রুপক্ষের উপস্থিতি নির্মূল করবে এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করবে।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) পারস্য উপসাগরীয় দিবস উপলক্ষে প্রকাশিত এক লিখিত বার্তায় তিনি এসব কথা বলেন।

মোজতবা খামেনি পারস্য উপসাগরকে এই অঞ্চলের মুসলিম দেশগুলোর জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ আশীর্বাদ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এই জলরাশি ও হরমুজ প্রণালি শুধু ভৌগোলিক নয়, বরং আমাদের ইতিহাস, পরিচয় ও সভ্যতার অবিচ্ছেদ্য অংশ। একই সঙ্গে এটি বিশ্ব অর্থনীতির জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক পথ।

মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি দাবি করেন, এই কৌশলগত অঞ্চল দীর্ঘদিন ধরেই ‘বিশ্বের দাম্ভিক শক্তিগুলোর’ লোভের শিকার। ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের ধারাবাহিক হস্তক্ষেপ, আগ্রাসন ও নিরাপত্তাহীনতা এই অঞ্চলের দেশগুলোর জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালনে ইরান দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। এই জলপথে শত্রুপক্ষের অপব্যবহার বন্ধ করা হবে এবং নতুন নিয়মকানুনের মাধ্যমে এটি পরিচালিত হবে।

খামেনি আরও বলেন, প্রণালিতে নতুন আইন ও ব্যবস্থাপনা চালু হলে তা এই অঞ্চলের দেশগুলোর জন্য স্থিতিশীলতা, উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি বয়ে আনবে।

ইরানের সামরিক বাহিনীর প্রশংসা করে তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আগ্রাসনের মুখে নীরব থাকা অঞ্চলের জনগণ সাম্প্রতিক সময়ে প্রত্যক্ষ করেছে—কিভাবে ইরানের সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও আইআরজিসি বিদেশি আধিপত্যের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছে।

তিনি দাবি করেন, সাম্প্রতিক সংঘাতের পর স্পষ্ট হয়েছে—পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি ও ঘাঁটি স্থাপনই মূলত অস্থিতিশীলতার প্রধান কারণ।

৪০ দিনব্যাপী সংঘাতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় মার্কিন ঘাঁটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ এসব ঘাঁটির ওপর আঞ্চলিক মিত্রদের নির্ভর করার সুযোগ নেই।

সূত্র: প্রেস টিভি ও বিবিসি