tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদসর্বশেষ সংবাদবাণিজ্যসৌদি আরব থেকে ডিজেল ও গ্যাসোলিন আমদানি করবে সরকার

সৌদি আরব থেকে ডিজেল ও গ্যাসোলিন আমদানি করবে সরকার

সৌদি আরব থেকে জরুরি ভিত্তিতে অতিরিক্ত ডিজেল ও গ্যাসোলিন আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা এবং বিশ্ববাজারে তেলের দামের ওঠানামার মধ্যে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির বাইরে গিয়ে সৌদি আরব থেকে অতিরিক্ত ১ লাখ ২৫ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেল আনা হবে। এর মধ্যে ১ লাখ মেট্রিক টন ডিজেল এবং ২৫ হাজার মেট্রিক টন গ্যাসোলিন আমদানি করা হবে। এ জন্য সরকারের সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা।

জানা গেছে, সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠান ‘পেট্রোগ্যাস ইন্টারন্যাশনাল’-এর কাছ থেকে এই জ্বালানি কেনা হবে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় সংকট মোকাবিলায় সরকার একদিকে দেশীয় কূপ খনন বাড়ানোর উদ্যোগ নিচ্ছে, অন্যদিকে বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানির নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানায়, জ্বালানি খাতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ নিশ্চিত করা হবে।

এদিকে চলতি মাসে জ্বালানি সরবরাহের জন্য ১৭টি জাহাজের এলসি খোলা হয়েছে। এর মধ্যে এখন পর্যন্ত মাত্র ৪টি জাহাজের জ্বালানি দেশে পৌঁছেছে। আরও ৬টি এলসির জ্বালানি সরবরাহের অপেক্ষায় রয়েছে এবং ৭টি এলসির সরবরাহ এখনো অনিশ্চিত।

অন্যদিকে আগামী এপ্রিলে জ্বালানি আমদানির জন্য ১৫টি জাহাজের এলসি খোলা হয়েছে। এর মধ্যে ১৩টি পার্সেল সরবরাহের সম্মতি পাওয়া গেলেও এখন পর্যন্ত মাত্র ৩টি জাহাজের বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

এই পরিস্থিতিতে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার প্রতিবেশী দেশ ভারত, চীন ও জাপানের কাছেও সহযোগিতা চেয়েছে। তবে ওই প্রক্রিয়া সময়সাপেক্ষ হওয়ায় দ্রুত সরবরাহ নিশ্চিত করতে মধ্যপ্রাচ্য, যুক্তরাজ্য ও ইউরোপের কয়েকটি কোম্পানির সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। পরবর্তীতে যাচাই-বাছাই শেষে সৌদি প্রিন্সের মালিকানাধীন কোম্পানি পেট্রোগ্যাস ইন্টারন্যাশনালকে সরবরাহকারী হিসেবে চূড়ান্ত করা হয়েছে।