tanaka
প্রচ্ছদসারাদেশসিলেট কিডনি ফাউন্ডেশন হাসপাতাল পরিদর্শনে ব্রিটিশ লর্ড কুরবান হুসাইন ও দুই এমপি

সিলেট কিডনি ফাউন্ডেশন হাসপাতাল পরিদর্শনে ব্রিটিশ লর্ড কুরবান হুসাইন ও দুই এমপি

রোগীসেবার মান, আধুনিক অবকাঠামো ও মানবিক উদ্যোগের প্রশংসা অতিথিদের

সিলেট কিডনি ফাউন্ডেশন হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন যুক্তরাজ্যের হাউস অব লর্ডসের সদস্য লর্ড কুরবান হুসাইন এবং ব্রিটিশ পার্লামেন্টের দুই সদস্য (এমপি) আফসানা বেগম ও শওকত আদম। শুক্রবার বিকেলে হাসপাতাল পরিদর্শনকালে তাঁরা বিভিন্ন বিভাগের কার্যক্রম, রোগীদের চিকিৎসাসেবা এবং ডায়ালাইসিস কার্যক্রম ঘুরে দেখেন।

হাসপাতালের আধুনিক পরিবেশ, উন্নত অবকাঠামো ও চিকিৎসাসেবার মান দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন ব্রিটিশ প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। তাঁরা হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগ পরিদর্শনের পাশাপাশি ভর্তি থাকা রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের চিকিৎসার খোঁজখবর নেন। এ সময় ডায়ালাইসিস সেবার মানেরও প্রশংসা করেন তাঁরা।

পরিদর্শনকালে হাসপাতালের সার্বিক কার্যক্রম ও সেবার বিভিন্ন দিক সম্পর্কে প্রতিনিধি দলের সদস্যদের অবহিত করেন এনআরবি কো-অর্ডিনেটর ও ট্রাস্টি জিয়া ইসলাম।

পরিদর্শন শেষে আয়োজিত আলোচনা সভায় যুক্তরাজ্যের পপলার অ্যান্ড লাইমহাউসের সংসদ সদস্য আফসানা বেগম বলেন, সিলেট কিডনি ফাউন্ডেশন হাসপাতাল কেবল একটি ডায়ালাইসিস কেন্দ্র নয়; এটি কিডনি রোগীদের জন্য মানবিক চিকিৎসাসেবা, সহমর্মিতা ও আশার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান।

তিনি বলেন, আধুনিক পরিবেশে রোগীদের চিকিৎসাসেবা প্রদান এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর যে উদ্যোগ এখানে দেখা গেছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। এ ধরনের প্রতিষ্ঠান মানুষের জীবন রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন কিডনি ফাউন্ডেশনের ট্রাস্টি সদস্য ডা. মোস্তফা শাহজামাল চৌধুরী বাহার, ট্রাস্টি ডা. নাজরা চৌধুরী, পরিচালক ও কোষাধ্যক্ষ জুবায়ের আহমেদ চৌধুরী, নির্বাহী পরিচালক ডা. কাজী মুশফিক আহমেদ, অতিরিক্ত পরিচালক (কল্যাণ ও সেবা) ফরিদা নাসরীন, অতিরিক্ত পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) মো. মা’আয় রেজা চৌধুরী, দিলীপ কুমার পাল এবং প্রশাসন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপক মো. মহিবুর রহমান রাসেলসহ হাসপাতালের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

হাসপাতাল-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, যুক্তরাজ্যের হাউস অব লর্ডসের সদস্য ও দুই এমপির এই পরিদর্শন সিলেট কিডনি ফাউন্ডেশন হাসপাতালের চিকিৎসাসেবার মান, মানবিক উদ্যোগ ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা তুলে ধরার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে যুক্তরাজ্যপ্রবাসী বাংলাদেশি ও আন্তর্জাতিক অতিথিদের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানের যোগাযোগ আরও সুদৃঢ় হবে বলে তাঁরা আশা প্রকাশ করেন।