tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদজাতীয়সিটি নির্বাচনে নজর ইসি’র

সিটি নির্বাচনে নজর ইসি’র

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ব্যস্ততা শেষ হওয়ার মাত্র এক মাসের কম সময় পেরিয়ে গেছে। তবে ইসির কাছে আরও কয়েকটি নির্বাচনের দায়িত্ব রয়েছে। শেরপুর-৩ ও বগুড়া-৬ আসনের ভোট বাকি আছে। এছাড়া সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনও আয়োজন করতে হবে সংস্থাটিকে।

তবুও আলোচনার মূল কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছে স্থানীয় সরকার নির্বাচন, বিশেষত সিটি করপোরেশন নির্বাচন। ইসি সূত্র জানাচ্ছে, সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন ও শেরপুর-৩ এবং বগুড়া-৬ আসনের ভোট হওয়ার পর স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন নির্বাচনের পরিকল্পনা নেওয়া হবে। পহেলা বৈশাখের আগে শেরপুর-৩ ও বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচন করার সিদ্ধান্ত ইতিমধ্যে নেওয়া হয়েছে।

সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ক্ষেত্রে মেয়র পদে দলীয় প্রতীকের ব্যবহার সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত সংসদ থেকে আসার পরই চূড়ান্ত হবে। এ জন্য এপ্রিল–জুনের মধ্যে নির্বাচনের প্রস্তুতি চলছে।

সংশ্লিষ্টরা জানাচ্ছেন, নিয়ম অনুযায়ী অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা অধ্যাদেশ সংসদের প্রথম অধিবেশনে পাস করতে হবে, নইলে তা বাতিল হবে। সংসদ যদি স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রতীকের বিষয়টি অধ্যাদেশ অনুযায়ী অনুমোদন করে, তবে সিটি নির্বাচনের প্রস্তুতিও সেই অনুযায়ী হবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে সঙ্গেই নির্বাচন কমিশন ঢাকা উত্তর, ঢাকা দক্ষিণ ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করেছে। স্থানীয় সরকার বিভাগের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কমিশনকে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

ঢাকা দক্ষিণের মেয়াদ ২০২৩ সালের ১ জুন শেষ হয়েছে, ঢাকা উত্তরের মেয়াদ ২০২৫ সালের ২ জুন শেষ হবে, এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়াদ ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন অনুযায়ী, মেয়াদপূর্তির ১৮০ দিনের মধ্যে নির্বাচন আয়োজন বাধ্যতামূলক।

নির্বাচন কমিশন সিটি করপোরেশন নির্বাচন দলীয় হবে নাকি নির্দলীয়, তা নির্ধারণের জন্য সংসদের সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে আছে। নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ জানিয়েছেন, অন্তর্বর্তী সরকার মেয়র ও চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোনয়ন বাতিলের অধ্যাদেশ জারি করেছে। সংসদ যদি এটি অনুমোদন করে, নির্বাচন সেই অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের জুলাইয়ের অভ্যুত্থানের পর মেয়র ও চেয়ারম্যানদের পদত্যাগের পর সরকার ১২টি সিটি করপোরেশন, ৩৩০টি পৌরসভা, ৪৯৭টি উপজেলা ও জেলা পরিষদের জনপ্রতিনিধিকে অপসারণ করে। বর্তমানে ইউনিয়ন পরিষদ ছাড়া অন্যান্য স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান প্রশাসকের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। তবে আদালতের আদেশে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন শাহাদাত হোসেন।