tanaka

ভরিতে সোনার দাম বাড়লো ২১৫৮ টাকা

দেশের বাজারে সোনার গহনার দাম বাড়ানো হয়েছে। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার গহনার দাম বাড়ানো হয়েছে...
প্রচ্ছদখেলাসরকারের কাছে ২০ কোটি টাকা ফেরতের দাবি মহিলা ক্রীড়া সংস্থার

সরকারের কাছে ২০ কোটি টাকা ফেরতের দাবি মহিলা ক্রীড়া সংস্থার

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমলে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে বাংলাদেশ মহিলা ক্রীড়া সংস্থাকে দুই দফায় মোট ২০ কোটি টাকা অনুদান দেওয়া হয়েছিল। সংস্থাটির নামে সোনালী ব্যাংকে এ অর্থের এফডিআর করা হয়। তবে সংস্থার দাবি, কোনো ধরনের পূর্ব নোটিশ ছাড়াই সেই এফডিআর ভেঙে অর্থ সরকারি তহবিলে ফেরত নেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় শনিবার বিকেলে ধানমন্ডিতে বাংলাদেশ মহিলা ক্রীড়া সংস্থার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে সংস্থার সভানেত্রী ব্যারিস্টার সারওয়াত সিরাজ শুক্লা অনুদান বাতিলের প্রক্রিয়া তদন্তে অবিলম্বে একটি কমিটি গঠনের দাবি জানান। একই সঙ্গে মহিলা ক্রীড়া উন্নয়নের জন্য বরাদ্দকৃত ২০ কোটি টাকা দ্রুত ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

সংস্থার অভিযোগ, নারীদের ক্রীড়া উন্নয়নের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ কোনো নোটিশ ছাড়াই প্রত্যাহার করা হয়েছে, যা দেশের নারী সমাজকে অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। অনুদানের শর্তেও অর্থ ফেরত নেওয়ার কোনো বিধান ছিল না বলে দাবি করেন সংস্থার নেতারা।

মহিলা ক্রীড়া সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালের এপ্রিলে প্রথম দফায় ১০ কোটি টাকা এবং ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে আরও ১০ কোটি টাকা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের করপোরেট শাখায় স্থায়ী আমানত হিসেবে রাখা হয়। এফডিআরের লভ্যাংশের ৮০ শতাংশ মহিলা ক্রীড়া উন্নয়নে ব্যয় এবং বাকি ২০ শতাংশ মূল তহবিলের সঙ্গে যুক্ত রাখার নিয়ম ছিল। ৫ দশমিক ৫ শতাংশ সুদে প্রতি তিন মাস অন্তর সংস্থাটি লভ্যাংশ পেত।

সংস্থাটি জানিয়েছে, তারা এ পর্যন্ত মোট ১ কোটি ১৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা লভ্যাংশ পেয়েছে। সর্বশেষ ২০২৫ সালের আগস্টে লভ্যাংশ পাওয়া গেলেও এরপর আর কোনো অর্থ পায়নি। ২০২৫ সালের অক্টোবরে বর্তমান অ্যাডহক কমিটি দায়িত্ব গ্রহণের পর বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধান শুরু করে। পরে ব্যাংক সূত্রে মৌখিকভাবে জানতে পারে, ড. ইউনূস সরকারের সিদ্ধান্তে অনুদানের অর্থ তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলে ফেরত নেওয়া হয়েছে।

লিখিত বক্তব্যে সারওয়াত সিরাজ শুক্লা বলেন, “আমাদের পেটে লাথি মারা হয়েছে, পিঠে ছুরি মারা হয়েছে এবং বুকে আঘাত করা হয়েছে।”

তিনি আরও দাবি করেন, তৎকালীন মুখ্য সচিব মো. সিরাজ উদ্দিন মিঞা ওরফে সিরাজ উদ্দিন সাথীর স্বাক্ষরিত নির্দেশনার ভিত্তিতে সোনালী ব্যাংক এফডিআর নগদায়ন করে অর্থ ফেরত দিয়েছে বলে তারা নির্ভরযোগ্য তথ্য পেয়েছেন।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, “প্রফেসর ইউনূস নারীর অর্থনৈতিক মুক্তি ও ক্ষমতায়নের কথা বলেন। অথচ তার শাসনামলে মহিলাদের খেলাধুলার জন্য দেওয়া অনুদান প্রত্যাহার করা হয়েছে। এই ঘটনা আমাদের বিস্মিত, ক্ষুব্ধ ও ব্যথিত করেছে।”